সত্যজিত্ বিশ্বাস
এটা তো টেস্ট ম্যাচ ছিল
প্রথম বন্ধু :ধুর, মনটাই খারাপ হয়ে গেল। বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের মতো দেশের কাছে এভাবে হারল?
দ্বিতীয় বন্ধু :আরে বোকা, মন খারাপ করিস কেন? এটা তো টেস্ট ম্যাচ ছিল। ফাইনাল তো আর না।
আমার মামা সব জানে
ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, আমরা আফগানিস্তানের মতো নতুন টেস্ট খেলতে আসা দলের কাছে হেরে গেলাম কেন?
মামা :ভয়ে।
ভাগ্নে :কিসের ভয়ে?
মামা :কাবলিওয়ালাদের কে না ভয় পায় শুনি?
অভিজ্ঞতা অর্জন
সাংবাদিক :এই টেস্টে আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া কী?
কোচ :কেন, অভিজ্ঞতা অর্জন।
আসল কারণ
প্রথম বান্ধবী :নায়ক, নায়িকাদের প্রযোজক হওয়ার পিছনে আসল কারণ কীরে?
দ্বিতীয় বান্ধবী :কারণটাতো তুই নিজেই বলে দিলি।
প্রথম বান্ধবী :তার মানে?
দ্বিতীয় বান্ধবী :সিনেমার নায়ক, নায়িকা হওয়াই প্রযোজক হওয়ার কারণ।
শখ পূরণ
প্রেমিকা :ওগো, আমার সারা জীবনের একটা শখ ছিল। বলো, পূরণ করবে?
প্রেমিক :কী শখ, সোনা?
প্রেমিকা :আমি সিনেমার নায়িকা হতে চাই।
প্রেমিক :কী! চাইলেই হলো?
প্রেমিকা :কেন হবে না, শুনি?
প্রেমিক :তোমার এই শখ আমি কি করে পূরণ করব?
প্রেমিকা :কেন, সিনেমার প্রযোজক হয়ে।
তার পরেরটা আমার হাতে
অভিনেতা :আমি সিনেমার নায়ক হতে চাই। আমাকে কী করতে হবে বলবেন?
পরিচালক :বেশি কিছু না। সিনেমার প্রযোজক হলেই চলবে।
অভিনেতা :তারপর?
পরিচালক :তার পরেরটা আমার হাতে ছেড়ে দেন। ওটা আমি দেখব।
কে বলল, বুঝতে চাই?
অফিস কলিগ :কী ব্যাপার, দুদিন ধরে দেখছি, বাসায় ফেরার জন্য আগে আগে বের হচ্ছেন। ঘটনা কী?
শামস সাহেব :আমার স্ত্রীর জমজ বোন কয়েকদিন হলো বাসায় বেড়াতে এসেছে তো, তাই।
অফিস কলিগ :তাই নাকি? তা, বউ আর জমজ বোনের পার্থক্য বোঝেন কী করে?
শামস সাহেব :আপনাকে কে বলল, আমি বুঝতে চাই?
কুইজ
প্রশ্ন :পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পর্দা কোথায় ঝুলায়িত?
উত্তর :ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন কক্ষে।
এই পর্দার বৈশিষ্ট্য কী?
সাংবাদিক :৩৭ লাখ টাকা দিয়ে কেনা এই পর্দার বৈশিষ্ট্য কী?
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা :এই পর্দা সব ধরনের দুর্নীতি ফিল্টার করতে সক্ষম।
টক অব দ্য কান্ট্রি
সাধারন পর্দা :স্যালুট বস। আপনি আমাদের পর্দা সমাজের গৌরব। আপনারে যে কী বইলা ধন্যবাদ দিব, ভাষা পাইতেছি না।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পর্দা :কেন?
সাধারণ পর্দা :কেন মানে! আগে তো মানুষ পর্দা পাইলেই চামে হাত মুছত। আর এখন?
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পর্দা :এখন কী?
সাধারন পর্দা :এখন পর্দায় হাত মোছার আগে সাত বার ভাবব। পর্দা সমাজটারে আপনি এক ধাক্কায় কোথায় নিয়া গেছেন, টের পান না? আপনি তো এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।
অ্যাকাউন্টেন্ট নিয়োগ
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাকাউন্টেন্ট নিয়োগ পদে প্রচুর দরখাস্ত জমা পড়েছে। তার মধ্যে থেকে নিয়োগকর্তা তিনজন প্রার্থীকে বেছে ইন্টারভিউতে ডাকলেন। প্রথম দুই প্রার্থীকে প্রশ্ন করলেন, ‘দুই আর দুই কত হয়?’ দুইজনই সাথে সাথে জবাব দিল, ‘দুই আর দুইয়ে চার হয়।’ হতাশ হয়ে নিয়োগকর্তা তিন নম্বর প্রার্থীকে ডাকলেন।
নিয়োগকর্তা :দুই আর দুই কত হয় বলুন তো?
তিন নম্বর প্রার্থী কোন জবাব না দিয়ে প্রথমে জানালার পর্দার দিকে তাকাল। নিঃশব্দে উঠে দাঁড়িয়ে ধীর পায়ে বন্ধ দরজার কাছে গিয়ে কান পেতে কিছু শোনার চেষ্টা করল। কিছুক্ষণ চুপ হয়ে থেকে মাথা দোলাতে দোলাতে ‘কেউ নেই’ বলে নিজের চেয়ারে এসে বসল। তারপর টেবিলের উপর ঝুঁকে সামনের দিকে এগিয়ে ফিসফিস করে বলল, ‘স্যার দুই আর দুই কত হলে আপনি খুশি হবেন?’
নিয়োগকর্তা :কাল থেকে জয়েন করেন।
টরে টক্কা চ্যাটিং
মেয়েটি :হাই, আমি টরে।
ছেলেটি :বাহ, খুব সুন্দর নাম তো তোমার। আমি টক্কা।
মেয়েটি :তোমার নামটাও তো বেশ আনকমন।
ছেলেটি :তো, আমরা বন্ধু হয়ে গেলাম।
মেয়েটি :অবশ্যই। বন্ধুকে তো সব বলা যায়, তাই না?
ছেলেটি :অবশ্যই বলা যায়। বলো না, কী বলবে?
মেয়েটি :আসলে এই মুহূর্তে আমার কিছু টাকার খুব দরকার ছিল।
ছেলেটি :ওএমজি! আমারো ঠিক তাই!
মেয়েটি :তোমার টাকা দরকার কেন?
ছেলেটি :কেন আবার? তোমাকে ধার দেয়ার জন্য।
কে?
স্ত্রী :বিদেশ (উগান্ডা) সফর কেমন হলো?
স্বামী :ভালো।
স্ত্রী :ভালো তো, সে দেখতেই পাচ্ছি। তা, তোমার জামার কলারে লাল রং এল কোথা থেকে?
স্বামী :কী সব বলো, বুঝি না। মনে হয়, সস, টস কিছু লেগেছে।
স্ত্রী :আমি জানতে চাইছি, সেই সস চেটে দিল কে?
