নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ও মজিদপুর ইউনিয়নের গোমতী ও কাঁঠালিয়া নদী ভাঙনের ফলে ক্রমশ বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গাছ-গাছালি। নিঃস্ব হয়ে অনেক পরিবার এলাকা ছেড়ে স্থান নিয়েছে অনেক জায়গায়।
সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার দক্ষিণ নারান্দিয়ার পশ্চিমপাড়, আফজালকান্দি, খানেবাড়ী গৌবিন্দপুর, উত্তর ও দক্ষিণ মানিকনগর, ঘোষকান্দি, দাসকান্দি, হরিপুর বাজার, দুলারামপুর, দড়িকান্দি, নারায়ণপুর, হাইধরকান্দি, আসমানিয়া, নারান্দিয়া পূর্বপাড়, রসূলপুর, জিয়ারকান্দি, শোলাকান্দি ও লালপুর গ্রামের সংলগ্ন অংশেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বিলীন হওয়া বসতবাড়ির লোকজন অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।
অপর দিকে মেঘনার নদীর মোহনা খ্যাত কাঁঠালিয়া নদীর পাড়ের চরকুমারিয়া, ১ম স্বরসতিরচর, রায়পুর, মোহনপুর, দড়িগাঁও, নন্দিরচর, ভাটেরার গ্রামগুলোতেও ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়িসহ ফসলি জমি। এ সময় এলাকায় স্থানীয়ভাবে লোকজনও বাঁশের বেড়া ও নানা কিছু ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোকবুল মাহমুদ প্রধান জানান, কাঁঠালিয়া নদীর কারণে মজিদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম এখন নদী ভাঙনের কবলে।
চরকুমারীয়া গ্রামের মৌসুমী বেগম জানান, নদীতে বসতবাড়ি বিলীন হওয়ায় আমি গত ৩ বছর যাবত্ স্বামী, ছেলেমেয়ে নিয়ে আমার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর তীরবর্তী এলাকায় নজরধারী রাখা হয়ে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অবহিত করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতপূর্বক সহযোগিতার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।
