সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, তেলক্ষেত্রে হামলার পালটা জবাব দিতে প্রস্তুত সৌদি আরব। তিনি বলেছেন, যে কোনো সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা রাখে তার দেশ। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে যুবরাজ এই কথা বলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশটিতে প্রতিরক্ষা সহায়তা আরো বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে তেলক্ষেত্রে হামলায় মার্কিন দাবি নাকচ করে দিয়েছে ইরান। অন্যদিকে তেলের উত্পাদন অর্ধেকে নেমে আসায় বিশ্ব জুড়ে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খবর বিবিসি ও সৌদি গেজেটের
সৌদি যুবরাজ বলেন, যে কোনো সন্ত্রাসী হামলার হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত রিয়াদ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা বাড়াতে সৌদি আরবকে আরো সহযোগিতা বাড়াতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, এই হামলা কেবল যুক্তরাষ্ট্রে নয়, সারা বিশ্বেই প্রভাব ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি নাকচ ইরানের
সৌদির দুইটি তেলক্ষেত্রে হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীরা; কিন্তু মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এই দাবি নাকচ করে বলেছেন, ইরানই সৌদি তেলক্ষেত্রে হামলা করেছে। তিনি বলেন, ড্রোন যে ইয়েমেন থেকে এসেছে এমন প্রমাণ নেই। পম্পেওর দাবি নাকচ করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেছেন, ইরানের ওপর দোষ চাপালেই ইয়েমেনে দুরবস্থা পালটাবে না।
বিশ্ব জুড়ে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা
সৌদি আরবের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত আরামকো বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো তেল কোম্পানি। বিশ্বের চাহিদার ১০ ভাগ উত্পাদন করে আরামকো। খুরাইসে বিশ্বের মোট চাহিদার ১ শতাংশ তেল উত্পন্ন হয়, আর আবকাইক তেল শোধনাগার বিশ্বের সরবরাহের ৭ শতাংশ তেল জোগান দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন। তেলের উত্পাদন কমে অর্ধেক অর্থাত্ ৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ৬০ ডলার। এটা এখন ৮০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
