বিদ্যুত্ বিহীন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে চিকিত্সাসেবা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:৩৮

সখীপুরে কমিউনিটি ক্লিনিক

সখীপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

সখীপুর উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে বিদ্যুত্সংযোগ নেই। এ ছাড়াও ঐ সব ক্লিনিকের ভবনগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে বিদ্যুত্ না থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সেবা দেওয়া সংশ্লিষ্টদের দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এ সব কারণে প্রসূতি মায়েদের ও শিশুদের প্রাথমিক চিকিত্সাসেবা দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা যায়, সখীপুর উপজেলার ৩৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এদের মধ্যে ১৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় ভবনগুলো পর্যায়ক্রমে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনটি ভবনের দেওয়াল ধসে পড়ায় ঐসব কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) অন্যত্র ঘর ভাড়া নিয়ে সেবার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বাকি ১৪টি ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা ঝুঁকি নিয়েই রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন। ঐসব ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে উপজেলার ৩৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে ১৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৭টি ক্লিনিকের দেওয়ালে ফাটল, মেঝে দেবে গেছে, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে। অধিকাংশ ক্লিনিকের টিউবওয়েলের মাথাসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ খোয়া গেছে। বিদ্যুত্ ব্যবস্থা না থাকায় কর্মরত কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডারদের (সিএইচসিপি) গরমে চরম কষ্টে সেবা দিতে হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা প্রসূতি রেনু আক্তার বলেন, ‘ভাঙা বিল্ডিংয়ে আসতে ভয় করে। তারপরও চিকিত্সা নিতে এখানে বাধ্য হয়েই আসতে হয়।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর তালিকা করে অনেক আগেই জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এইচইডি) পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে শিগিগরই ভবনগুলো সংস্কার করা হবে।