ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগের বৈধতা প্রশ্নে রিট

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:৪২

আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত

যোগদান নয়

ইত্তেফাক রিপোর্ট

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফওজিয়া রেজওয়ানাকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এ আবেদনের ওপর আদেশ দিবে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নবনিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ঐ পদে যোগদান করতে পারবে না। শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেয়।

রবিবার ফওজিয়াকে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ঐ নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ। ঐ আবেদনে বলা হয়, ১৯৭৯ সালের রেগুলেশন ২(এ)(ই), ৩(১) (২) অনুযায়ী অধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষমতা গভর্নিং বডির এবং ২০০৯ সালের রেগুলেশন ৪১ (২)(খ)(৪) অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতাও গভর্নিং বডির। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন লঙ্ঘন করে বেআইনিভাবে একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ নিয়োগ দিয়েছে।

শুনানিতে রিটকারী আইনজীবী বলেন, সামনে গভর্নিং বডির নির্বাচন। নির্বাচন সম্পন্ন হোক। এরপর গভর্নিং বডি অধ্যক্ষ নিয়োগ দেবে। আদালতের জিজ্ঞাসার জবাবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত বলেন, বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই প্রেষণে অধ্যক্ষ নিয়োগ দিতে পারে সরকার। অনেক স্কুলে সেটা দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যায়ে আদালত বলে, যদি এভাবে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হয় তাহলে গভর্নিং বডির দরকার কী? শিক্ষক নিয়োগেও অর্থ লেনদেন হয়। এজন্য এত ইন্টারেস্ট। আর স্কুলগুলোতে তো পড়ানো হয় না। সবই কোচিংনির্ভর। শুনানি শেষে হাইকোর্ট আদেশ দিতে চাইলে ডিএজি বলেন, কাল (মঙ্গলবার) আদেশের জন্য রাখা হোক। এর মধ্যে বিষয়টি জেনে আদালতকে জানাই। রিটকারী বলেন, অধ্যক্ষ যদি যোগদান করে তাহলে এ আবেদনের কার্যকারিতা কোথায়? তখন ডিএজি বলেন, আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি আদালতের আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঐ অধ্যক্ষ পদে যোগদান করবে না।