আবদুল মান্নান
‘ঢাকায় এসে ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন যাতে তাড়াতাড়ি হয় তার ব্যবস্থা করলাম। এর পূর্বে আর কাউন্সিল সভা হয় নাই। নির্বাচন হওয়া দরকার, আর আমিও বিদায় নিতে চাই। ঢাকার তাজমহল সিনেমা হলে কনফারেন্স হলো আমার সভাপতিত্বে। আমি আমার বক্তৃতায় বললাম, ‘আজ থেকে আমি আর আপনাদের প্রতিষ্ঠানের সভ্য থাকব না। ছাত্র প্রতিষ্ঠানের সাথে থাকার আর আমার কোন অধিকার নাই। আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি। কারণ আমি আর ছাত্র নই। তবে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ যে নেতৃত্ব দিয়েছে, পূর্ব বাংলার লোক কোনোদিন তা ভুলবে না। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য যে ত্যাগ স্বীকার আপনারা করেছেন এদেশের মানুষ চিরজীবন তা ভুলতে পারবে না। আপনারাই এদেশে বিরোধী দল সৃষ্টি করেছেন। শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকলে গণতন্ত্র থাকে না’ (অসমাপ্ত আত্মজীবনী—শেখ মুজিবুর রহমান। ষষ্ঠ মুদ্রণ, ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা ১২৬)। এটি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের একেবারে আনুষ্ঠানিক জন্মের সময়কালের কথা, ১৯৪৯ সালে। এর আগে ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি ছিল। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে হাতেখড়ি কলকাতায় নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের হাত ধরে, যদিও তিনি ফরিদপুরে একজন ব্রিটিশবিরোধী রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ছাত্র থাকাকালে বঙ্গবন্ধু একাধারে ছাত্ররাজনীতি ও মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বলতে গেলে ছাত্রলীগ দেশ ভাগের পর পাকিস্তানের প্রথম বিরোধী দল, যেই দলে সত্যিকারের ছাত্র ছাড়া অন্য কারো স্থান ছিল না। তখন থেকে ছাত্রলীগের সোনালি যুগের শুরু।
এদেশের মানুষ বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির প্রথম বড়ো ধরনের গৌরব উজ্জ্বল ভূমিকা দেখে ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে যখন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। জিন্নাহ্র এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ করেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ এবং এই ছাত্রসমাজের নেতৃত্বদানকারী উল্লেখযোগ্য ছাত্রসংগঠন ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ, যা পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ নামকরণ করা হয়। ছাত্ররা অনেক রক্তক্ষরণ ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে সেই আন্দোলনে বিজয়ী হয়। ১৯৬৮-এর আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন হিসেবে শুরু হওয়া আন্দোলনটি কীভাবে স্বল্পতম সময়ে গণ-আন্দোলনে রূপ নিল তা আজকের প্রজন্মকে বোঝানো যাবে না। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন মূলত ঢাকা আর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসমাজ। ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত হয়েছিল ঢাকা কলেজ, জগন্নাথ কলেজ, ইডেন গার্লস কলেজ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ঢাকার বাইরে ছিল রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ছিল উল্লেখ করার মতো, বিশেষ করে সত্তরের নির্বাচনের পরের আন্দোলনে। সেই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছাড়া শিক্ষক ও কর্মচারী-কর্মকর্তারাও যুক্ত ছিলেন, যাদের মধ্যে ড. এ আর মল্লিক (পরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রী ও ভারতে বাংলাদেশের প্রথম হাইকমিশনার), প্রফেসর আবুল ফজল (পরবর্তীকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য), প্রফেসর আনিসুজ্জামান (বর্তমানে জাতীয় অধ্যাপক), প্রফেসর ফজলি হোসেন, প্রফেসর মমতাজউদ্দিন (তখন চট্টগ্রাম কলেজের বাংলার অধ্যাপক, বর্তমানে প্রয়াত) প্রমুখ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসুর সাধারণ সম্পাদক আবদুর রব মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন।
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন হতে শুরু হওয়া আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, পরবর্তীকালে উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, এরপর সত্তরের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ইয়াহিয়া বিরোধী আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্বের আন্দোলন এবং চূড়ান্তভাবে মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজের অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকবে। ১৯৬২ সালে হামুদুর রহমান (বিচারপতি, বাঙালি, স্বাধীনতার পর তিনি পাকিস্তানে থেকে যান) শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। সেই রিপোর্টে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যতটুকু স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতা ভোগ করত তাও কেড়ে নেওয়া হয়। রিপোর্টের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন, যার নেতৃত্বে ছিল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়ন। সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দেন কমরেড ফরহাদ, রাশেদ খান মেনন, শেখ ফজলুল হক মনি, সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মানিক, আবদুর রাজ্জাক, আসমত আলি সিকদার প্রমুখ। ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিক্ষোভরত ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে দুই জন ছাত্র নিহত হন। সেই আন্দোলনের তোড়ে আইয়ুব খান আর হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাস্তবায়ন করার সাহস পায়নি।
আইয়ুববিরোধী ও উনসত্তরের গণ-আন্দোলনে এদেশের ছাত্রসংগঠন ও ছাত্রসমাজের ভূমিকা এতদিন পর মনে হয় রূপকথার কল্পকাহিনি। সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন দেশের সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসমাজ, ব্যতিক্রম ছিল পূর্ব বাংলার গভর্নর মোনায়াম খানপন্থি জাতীয় ছাত্র ফেডারেশন (এনএসএফ) আর জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ (পরবর্তীকালে ইসলামী ছাত্রশিবির)। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল ডাকসু, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন ও মতিয়া গ্রুপ), এবং জাতীয় ছাত্র ফেডারেশনের একাংশ। গঠিত হয়েছিল ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আওয়ামী লীগের ছয় দফাকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রণয়ন করেছিল ছাত্রসমাজের প্রাণের দাবি সংবলিত ১১ দফা। সেই ১১ দফাকে কেন্দ্র করে জাতীয় ছাত্র ফেডারেশনের বিভক্তি। ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন ছাত্র ফেডারেশনের জিন্নাহ হল (বর্তমানে সূর্য সেন হল) হতে নাজিম কামরান চৌধুরী আর ভিপি হয়েছিলেন আজকের বর্ষীয়ান পার্লামেন্টারিয়ান তোফায়েল আহম্মদ। ১১ দফা আন্দেলনকে কেন্দ্র করে এনএসএফ ভাগ হয়ে যায়। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদেও সঙ্গে ছিল মাহবুব ইল হক দোলন ও নাজিম কামরান চৌধুরী অংশ। অন্যান্য ছাত্রসংগঠন থেকে ছিলেন সিরাজুল আলম খান (ছালী), নূরে আলম সিদ্দিকী (ছালী), আবদুর রউফ (ছালী), খালেদ মোহাম্মদ আলী (ছালী), আবদুস কুদ্দুস মাখন (ছালী), শাহজাহান সিরাজ (ছালী), হাসানুল হক ইনু (ছালী) সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মানিক (ছাই), শামসুদ্দোহা (ছাই), মাহবুবউল্লাহ (ছাই), মোস্তাফা জামাল হায়দার (ছাই), দীপা দত্ত (ছাই) প্রমুখরা। এদের মধ্যে আটজন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অন্যরা অনেকটা কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন। এই আন্দোলন পরিচালিত হয়েছিল অনেকটা যৌথ কমান্ডের অধীনে। যদিও আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সেনাশাসক আইয়ুব খানকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনা, সঙ্গে যোগ হয়েছিল সামরিক আদালতে বঙ্গবন্ধু ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বাতিল করে বঙ্গবন্ধু ও অন্য বন্দিদের মুক্ত করা।
১৯৬৯-এর গণ-আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট। কারণ সেই আন্দোলনের সূত্র ধরেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। সেই আন্দোলন কেমন ছিল তা বর্তমান প্রজন্মকে বোঝানো যাবে না। ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহম্মদ তখন হয়ে উঠেছিলেন সত্যিকার অর্থে একজন হ্যামিলনের বাঁশিবাদক। আগের দিন ডাক দিতেন আগামী কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় অথবা পল্টন ময়দানে ছাত্র জমায়েত অথবা জনসভা। পরদিন কোথা হতে লক্ষ মানুষ এই সব জমায়েতে সমেবত হতো তা আজ চিন্তা করলে অবাক লাগে। প্রচারের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই একমাত্র বিবিসি ছাড়া। এই সময় অধুনা লুপ্ত দৈনিক আজাদ ও দৈনিক সংবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বটতলার মিছিল শেষে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করত। সরকারি প্রেস ট্রাস্টের পত্রিকা হলেও দৈনিক পাকিস্তানের ভূমিকাও প্রশংসনীয় ছিল। দেশের এই কয়েকটি পত্রিকা ছাড়াও বিদেশের পত্রপত্রিকায়ও ছাত্রদের এই আন্দোলনের ছবি ছাপা হতো। সঙ্গে থাকত তোফায়েল আহমেদের বক্তৃতারত বেশ বড়ো একটা ছবি। এখন তো শুনি জোর করে না নিলে ছাত্ররা কোন ছাত্রসংগঠনের মিছিলে যায় না। পঞ্চাশ বছর পর যখন সেই সব সোনালি দিনের কথা মনে করি, তখন তা নিজের কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। পরবর্তীকালে এসব ছাত্রনেতার অনেকে ভিন্ন রাজনৈতিক ভাবধারায় দীক্ষা নিয়ে অন্য পথে চলে গেছেন ঠিক, তবে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে তাদের অবদান খাটো করে দেখার কোনো উপায় নেই।
সবশেষে একজন ছাত্রনেতার কথা দিয়ে শেষ করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসে আমার পাড়ার এক বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে এস এম হলের তার কক্ষে উঠেছি। যদিও সে আমার এক ক্লাস ওপরে পড়ত তথাপি তার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ছিল বন্ধুর মতো। হল সংসদ নির্বাচনে সে সাহিত্য সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে। হলের ছাত্র সংসদের অভিষেক হবে। তার জন্য একটি স্মরণিকা বের হবে। পুরান ঢাকার বাংলাবাজারে এক প্রেসে ছাপার কাজ চলছে। তার সঙ্গে এক সন্ধ্যায় প্রেসে গেলাম। রাত তখন প্রায় নয়টা। প্রেসে কাজ চলছে। মেশিনের ঘটাং ঘটাং আওয়াজ। ছাপার কাজ চলছে। কিছুক্ষণ পর একজন তরুণ প্রেসে প্রবেশ করল। পরনে পায়জামা পাঞ্জাবি। কোনো দিক না তাকিয়ে পকেট থেকে চার আনা পয়সা বের করে প্রেসের একজন কাজের ছেলেকে দিয়ে বললেন তার জন্য একবাটি জিলাপির শিরা আর দুআনা দামের একটা পাউরুটি আনতে। কিছুক্ষণ পর শিরা আর রুটি এলো। তা দ্রুত খেয়ে তিনি দেওয়ালের সঙ্গে দাঁড় করিয়ে রাখা একটি তেলতেলে কাঠের তক্তা বের করলেন। আলমারির ওপর থেকে একটি তেল চিটচিটে চাদর আর বালিশ বের করে তা তক্তার ওপর বিছিয়ে সটান শুয়ে পড়লেন। আমার বন্ধু বললেন ‘রাশেদ খান মেনন। প্রেসে তার কাজ চলছে তো সেই জন্য তিনি রাতটা প্রেসেই কাটাবেন।’ দুজন একই দল করে কিন্তু পরস্পরের মধ্যে সম্মানবোধটা মারাত্মক। তখন রাশেদ খান মেনন দুই ভাগ হওয়া ছাত্র ইউনিয়নের এক ভাগের সভাপতি। চিন্তা করি, ছাত্রনেতাদের সেই বৈশিষ্ট্য তো আর কখনো ফিরে আসবে না। এখন তো সব পদ পদবির পিছনে দৌড়ায়। নেতা হলে নাকি প্রটোকল লাগে, তাকে কোটি টাকার গাড়িতে চড়তে হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইডেন গার্লস কলেজের নির্বাচিত সহসভাপতি ছিলেন। কখনো ছাত্রলীগের কোনো পদে ছিলেন না। বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল আমার দুই বছর নিচের ক্লাসে পড়ত। তার মতো এত প্রাণোচ্ছল তরুণ তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খুবই কম ছিল। খেলাধুলা আর সাংস্কৃতিক চর্চা নিয়ে সর্বক্ষণ ব্যস্ত থাকত। কখনো ছাত্রলীগের পদের জন্য লালায়িত ছিল না।
এই বয়সে ছাত্ররাজনীতির সোনালি দিনগুলোর কথা ভাবতে পারি। তা ফিরে আসবে তা আর চিন্তা করতে পারি না। যে ছাত্ররাজনীতি ও যে বিশ্ববিদ্যালয় একদা একটি স্বাধীন দেশ সৃষ্টি করেছিল সেই ছাত্ররাজনীতি আর বিশ্ববিদ্যালয় মনে হয় এখন হারিয়ে গেছে। লেখার কিছু অংশ স্মরণশক্তিনির্ভর। কারো নাম বাদ পড়ে গেলে তা অনিচ্ছাকৃত)
n লেখক : বিশ্লেষক ও গবেষক
