সীমান্তে গুলিতে নিহত বাবুলের লাশ ১৪ দিন পর ফেরত পেল পরিবার

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:১৮

ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা

অবশেষে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত হওয়ার ১৪ দিন পর ডিমলা উপজেলার বাবুল মিয়ার (২৫) লাশ ফেরত পেল পরিবার। মঙ্গলবার রাত নয়টায় পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তে বিজিবির উপস্থিতিতে নীলফামারীর ডিমলা থানা পুলিশের কাছে বাবুল মিয়ার লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ। পরে পুলিশ বাবুল মিয়ার লাশ তার বাবা নূর মোহাম্মদের কাছে বুঝে দিলে সেখান থেকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

লাশ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৫১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল ইসাহাক মণ্ডল, ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ, পূর্বছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান, দহগ্রাম পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আবু হানিফ। ভারতীয় ৫৪ বিএসএফের উপ-অধিনায়ক এসওয়াই খেঙ্গারু, কোচবিহার জেলার কুচলিবাড়ি থানার সার্কেল কর্মকর্তা পুরান রায় ও থানা পুলিশের কর্মকর্তা সুবাস চন্দ্র রায়। বাবুলের লাশ ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজ উদ্দিন শেখ।

গত ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সীমান্ত এলাকার কালিগঞ্জ গ্রামের বাবলু মিয়া ও ঝাড়সিংহেশ্বর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (১৪) গরুর ঘাস কাটতে বের হয় বাড়ি থেকে। এ সময় তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তে ঘাস কাটার সময় তাদেরকে গুলি করে ভারতীয় বিএসএফ। গুলিতে বাবুল মিয়া নিহত এবং সাইফুল আহত হলে হতাহতদের নিয়ে যায় বিএসএফ। বুধবার সকাল ১০টায় কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।