মহাজোটগতভাবে ছাড় পাওয় প্রার্থী যারা
একাদশ সংসদ নির্বাচনে যেই ২৯টি আসনে মহাজোটগতভাবে ছাড় পেয়েছে বলে জাপা দাবি করেছে সেগুলো হলোঃ নীলফামারী-৩ মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ জিএম কাদের, রংপুর-১ মশিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ এইচএম এরশাদ, কুড়িগ্রাম-১ একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ এ্যাড. আলতাফ আলী, বরিশাল-৩ গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-৬ নাসরিন জাহান রতনা, পিরোজপুর-৩ ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, টাঙ্গাইল-৫ শফিউল্লাহ আল মুনির, ময়মনসিংহ-৪ বেগম রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৮ ফখরুল ইমাম, কিশোরগঞ্জ-৩ মজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ সেলিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ, সিলেট-২ ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ জিয়াউল হক মৃধা, ফেনী-৩ লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর-২ মো. নোমান ও চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
উন্মুক্ত ১৩২টি আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী
জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায় স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যেই ১৩২টি আসন উন্মুক্ত থাকবে বলে দাবি করা হয়েছে সেগুলো হলোঃ রংপুর-২ আসাদুজ্জামান চৌধুরী শাবলু, কুড়িগ্রাম-৩ আক্কাস আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ মেজর (অব.) আশরাফ উদ দৌলা, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, খুলনা-১ সুনীল শুভরায়, সাতক্ষিরা-১ সৈয়দ দিদার বখত্, সাতক্ষিরা-২ শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন, সাতক্ষিরা-৪ আব্দুস সাত্তার মোড়ল, জামালাপুর-৪ মোখলেছুর রহমান, শেরপুর-১ আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন, শেরপুর-৩ মো. আবু নাসের, সিলেট-৫ সেলিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী মামুনুর রশীদ, পঞ্চগড়-১ আবু সালেক, পঞ্চগড়-২ লুত্ফর রহমান রিপন, ঠাকুরগাঁও-৩ হাফিজ উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো. শাহীনুর ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো. জুলফিকার হোসেন, দিনাজপুর-৪ মো. মোনাজাত চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ সোলায়মান সামী, দিনাজপুর-৬ মো. দেলোয়ার হোসেন, নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, লালমনিরহাট-১ মো. খালেদ আখতার, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো. ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, গাইবান্ধা ৪ কাজী মো. মশিউর রহমান, গাইবান্ধা-৫ এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু, জয়পুরহাট-১ আ.স.ম. মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২ কাজী মো. আবুল কাশেম, বগুড়া-৪ হাজী নুরুল আমিন বাচ্চু, বগুড়া-৫ তাজ মোহাম্মদ শেখ, নওগা-১ আকবর আলী কালু, নওগা-২ মো. বদিউজ্জামান, নওগা-৩ এ্যাড. তোফাজ্জল হোসেন, নওগা-৪ মো. এনামুল হক, রাজশাহী-২ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী-৫ মো. আবুল হোসেন, রাজশাহী-৬ মো. ইকবাল হোসেন, নাটোর-১ আবু তালহা, নাটোর-২ মুজিবুর রহমান সেন্টু, নাটোর-৩ ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৩ আলমগীর হোসেন, পাবনা-১ সরদার শাহজাহান, পাবনা-৫ মো. আব্দুল কাদের খান, মেহেরপুর-১ আব্দুল হামিদ, মেহেরপুর-২ কেতাব আলী, কুষ্টিয়া-১ শাহারিয়ার জামিল, কুষ্টিয়া-৪ আশরাফুল সোলাইমান, চুয়াডাঙ্গা-১ এ্যাড. সোহরাব হোসেন, যশোর-২ এবিএম সেলিম রেজা, যশোর-৩ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, যশোর-৪ মো. জহুরুল হক, যশোর-৫ এমএ হালিম, যশোর-৬ মাহাবুব আলম, মাগুরা-১ হাসান সিরাজ, নড়াইল-১ মিল্টন মোল্যা, নড়াইল-২ খন্দকার ফায়েকুজ্জামান, বাগেরহাট-৩ সেকেন্দার আলী মনি, বাগেরহাট-৪ সোমনাথ দে, খুলনা-৪ হাদিউজ্জামান, খুলনা-৫ শহীদ আলম, খুলনা-৬ শফিকুল ইসলাম মধু, বরগুনা-২ মিজানুর রহমান মল্লিক, পটুয়াখালী-৩ সাইফুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৪ আনোয়ার হোসেন, ভোলা-১ কেফায়েত উল্লাহ নজিব, ভোলা-৩ নুরুন্নবী সুমন, বরিশাল-২ সোহেল রানা, বরিশাল-৫ একেএম মর্তুজা আবেদীন, ঝালকাঠি-১ এমএ কুদ্দুস খান, ঝালকাঠি-২ এমএ কুদ্দুস খান, পিরোজপুর-১ নজরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৪ সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতন, টাঙ্গাইল-৭ জহিরুল ইসলাম জহির, জামালপুর-১ আব্দুস সাত্তার, জামালপুর-২ মোস্তফা আল মাহমুদ, জামালপুর-৩ লে. কর্ণেল (অব.) মঞ্জুর আহাদ হেলাল, ময়মনসিংহ-৫ সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৬ ডা. কেআর ইসলাম, ময়মনসিংহ-৭ বেগম রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৯ হাসনাত মাহমুদ তালহা, নেত্রকোণা-৩ জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, কিশোরগঞ্জ-৬ নুরুল কাদের সোহেল, মানিকগঞ্জ-৩ জহিরুল আলম রুবেল, মুন্সিগঞ্জ-১ শেখ সিরাজুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ-৩ গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ঢাকা-২ শাকিল আহমেদ শাকিল, ঢাকা-৭ তারেক আহমেদ আদেল, ঢাকা-৮ ইউনুস আলী আকন্দ, ঢাকা-১০ হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-১১ এস.এম. ফয়সল চিশতী, ঢাকা-১২ নাসির উদ্দিন সরকার, ঢাকা-১৩ শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ঢাকা-১৪ মোস্তাকুর রহমান, ঢাকা-১৫ শামসুল হক, ঢাকা-১৭ এইচ.এম. এরশাদ, ঢাকা-১৯ কাজী আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা-২০ খান মো. ইস্রাফিল, গাজীপুর-৩ আফতাব উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুর-৫ রাহেলা পারভীন শিশির, নরসিংদী-১ শফিকুল ইসলাম, নরসিংদী-২ মো. আজম খান, নরসিংদী-৩ আলমগীর কবির, নরসিংদী-৪ নেওয়াজ আলী ভূঁইয়া, নরসিংদী-৫ এমএ সাত্তার, নারায়ণগঞ্জ-১ আজম খান, রাজবাড়ী-১ আক্তারুজ্জামান হাসান, রাজবাড়ী-২ এবিএম নুরুল ইসলাম, শরিয়তপুর-৩ আবুল হাসান, সুনামগঞ্জ-৫ নাজমুল হুদা, সিলেট-১ মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ ওসমান আলী, সিলেট-৪ আহমেদ তাজ উদ্দিন তাজ রহমান, মৌলভীবাজার-২ এ্যাড. মাহাবুবুল আলম শামীম, হবিগঞ্জ-১ আতিকুর রহমান, হবিগঞ্জ-২ শংকর পাল, হবিগঞ্জ-৩ মো. আতিকুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ তারেক এ আদেল, কুমিল্লা-১ আবু জায়েদ আল মাহমুদ, কুমিল্লা-২ মো. আমির হোসেন, কুমিল্লা-৩ আলমগীর হোসেন, কুমিল্লা-৪ ইকবাল হোসেন রাজু, কুমিল্লা-৫ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৭ লুত্ফর রেজা, কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন, কুমিল্লা-৯ এটিএম আলমগীর, কুমিল্লা-১১ খায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, চাঁদপুর-১ এমদাদুল হক, চাঁদপুর-২ এমরান হোসেন মিয়া, চাঁদপুর-৪ মাইনুল ইসলাম, নোয়াখালী-১ আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, নোয়াখালী-২ হাসান মঞ্জুর, নোয়াখালী-৩ ফজলে এলাহী সোহাগ, নোয়াখালী-৪ মোবারক হোসেন, নোয়াখালী-৫ সাইফুল ইসলাম, নোয়াখালী-৬ নাসিম উদ্দিন বায়জিদ, লক্ষ্মীপুর-১ আলমগীর হোসেন, লক্ষ্মীপুর-৪ আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ জহুরুল ইসলাম রেজা, চট্টগ্রাম-৪ দিদারুল কবির, চট্টগ্রাম-৮ ফাতেমা খুরশীদ সোমাইয়া, চট্টগ্রাম-১২ মো. নুরুচ্ছফা সরকার, চট্টগ্রাম-১৪ আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ, খাগড়াছড়ি সোলায়মান আলম শেঠ, রাঙ্গামাটি এএকে পারভেজ তালুকদার। সুনীল শুভরায় ইত্তেফাককে জানান, এই ১৩২ জনের মধ্যে প্রথম ১৩ জনের নাম মহাজোটের প্রার্থী তালিকায় ছিল। পরবর্তীতের তাদের আসনগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ উপেক্ষা করলেন নারায়ণগঞ্জের কায়সার
এদিকে, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের বর্তমান এমপি জাপার কেন্দ্রীয় প্রথম যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা। এবারও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের একক ও চূড়ান্ত প্রার্থী তিনি। এই আসনে আওয়ামী লীগ কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেয়নি। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আবদুল্লাহ আল কায়সার ও তার চাচা মোশারফ হোসেন। দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া শনিবারের চিঠির প্রতি সম্মান জানিয়ে গতকাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মোশারফ। তবে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের তোয়াক্কা না করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কায়সার।
জানা গেছে, কায়সার কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে দেখা করেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। তবে গত দুইদিন ধরে তিনি বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের সমর্থনের জোর চেষ্টা চালান। তার সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের চূড়ান্ত প্রার্থী আজহারুল মান্নান। উল্লেখ্য, ২০০১ সালেও দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কায়সারের পরিবার ‘নৌকা’ প্রতীক ভাংচুরসহ দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করে।
