রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) :রূপগঞ্জ উপজেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উপজেলার মুড়াপাড়া, পূর্বগাঁও, ডাক্তারখালী, ইছাখালি এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নদীর তীর দখল ও ভরাট করে গড়ে ওঠা প্রাণ আরএফএল গ্রুপের একটি কারখানার অবৈধ স্থাপনা, ১৪টি জাহাজ নির্মাণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ডের জাহাজের আংশিক অংশ, করিম কংক্রিট টাইলস ফ্যাক্টরিসহ ৩৪টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদী দখল ও ভরাট করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে সামাদ ডকইয়ার্ড নামে একটি জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্মপরিচালক শেখ মাসুদ কামাল, উপপরিচালক শহীদুল্লাহ ও সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজসহ অন্য কর্মকর্তারা। বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের একটি কারখানার অবৈধ স্থাপনা, তানহা ডকইয়ার্ড, মাসটাং ডকইয়ার্ড, মালেক ডকইয়ার্ড, আলম ডকইয়ার্ড, জাকের ডকইয়ার্ড, শাহজাহান ডকইয়ার্ডসহ ১৪টি ডকইয়ার্ডের জাহাজের বর্ধিত অংশ, দুইটি টাইলস কারখানার বর্ধিত অংশ, পাঁচটি দেয়াল, ছয়টি টিন ও বাশের ব্যারিকেড, একটি বাশের জেটি, একটি ড্রেজার পাইপসহ সর্বমোট ৩৪টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। নদী অবৈধ দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদী দখলদারদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না —ইত্তেফাক
