ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা জুয়ার আড্ডা ও ক্যাসিনোর তালিকা করে পুলিশ অভিযানে নামছে। ইতিমধ্যে র্যাব কয়েকটি ক্যাসিনোতে অভিযান চালিয়েছে। পুলিশও অভিযান শুরু করবে। তিনি বলেন, রাজধানীতে ক্যাসিনো পরিচালনার ক্ষেত্রে যত প্রভাবশালীই জড়িত থাকুক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো অবস্থায় অবৈধ ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি সদর দপ্তরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ক্যাসিনোতে যারা জুয়া খেলতে আসেন তারাই মাদক সেবন করেন। ক্যাসিনো যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেখানে মাদক সেবনও বন্ধ হবে। ক্যাসিনো বন্ধ করেও যদি কেউ মাদকের কারবার চালানোর চেষ্টা করে, তবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্মল বিনোদন হলে পুলিশ সহযোগিতা করবে। কিন্তু সেখানে বিনোদনের নামে যদি অশালীন ও অবৈধ কিছু চলে, মাদক সেবন হয়, তাহলে সেখানেও একই রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নজরদারিতে থাকবে।
এতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমরা কঠোর। সেটা যে পর্যায়েই হোক না কেন। জোনাল ডিসিদের নির্দেশনা দিয়েছি এ ধরনের ঘটনা মোটেও সহ্য করব না। এরপরেও যদি কেউ জুয়ার বোর্ড কিংবা ক্যাসিনো পরিচালনা করে, বা জড়িত থাকে বলে জানতে পারি, তাহলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি যোগদানের পর কারা এই জুয়া ও ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত তাদের তালিকা করে জানাতে বলেছি। তারা কাজ করছেন। ইতিমধ্যে একটি জোনের তালিকা আমি পেয়েছি। অন্য জোনের তালিকাও করা হচ্ছে।
