নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্মিত সিদ্ধিরগঞ্জপুল থেকে কালুহাজি সড়ক পর্যন্ত সড়কে স্পিডব্রেকার নির্মাণের দাবি উঠেছে। গত মাসে সিটি করপোরেশন ২০ ফুট চওড়া আরসিসি ড্রেনসহ সড়ক নির্মাণের পর উক্ত সড়ক দিয়ে বেপরোয়াভাবে অটোরিকশাসহ যানবাহন চলাচলের কারণে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর যাতায়াতে দারুণ সমস্যা হচ্ছে। সড়ক পার হতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে এ সড়কের তালতলা এলাকায় সড়ক পার হতে গিয়ে এক বৃদ্ধ অটোর ধাক্কায় মারাত্মক জখম হন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি, বাতানপাড়া, পাইনাদী, সাহেবপাড়া, কান্দাপাড়া, জালকুড়িসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক লাখ বাসিন্দা এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকে। তাছাড়া আদমজী ইপিজেডে যাওয়া-আসার একমাত্র সড়ক হওয়ায় প্রতিদিনই সকাল-সন্ধ্যা কয়েক হাজার নারী শ্রমিক এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। এছাড়াও এ সড়কের উভয় পাশে দোকানপাট, একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও বাজারে আসা-যাওয়া করতে সড়ক পারাপার হতে হয়। কিন্তু এ সড়কে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত অটো, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন অত্যন্ত বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। এতে শিশু, মহিলা ও বৃদ্ধরা ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হয়। সড়কের কোথাও স্পিডব্রেকার না থাকায় সড়ক পার হতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনাসহ প্রাণহানিরও আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এ সড়কে কোনো ফুটপাত না থাকায় আতঙ্ক নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে হচ্ছে পথচারীদের। মিজমিজি টিসি রোডের বাসিন্দা ব্যবসায়ী বাহার উদ্দিন জানান, আমরা আতঙ্ক নিয়ে রাস্তা পার হই। কখন কোন্ গাড়ি এসে চাপা দেয়! স্থানীয় এক হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক এম এ মতিন বলেন, এ সড়কে স্পিডব্রেকার নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে বাধ্য হচ্ছে। এতে যে কোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি আরো বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জপুল থেকে আব্দুল আলীপুল পর্যন্ত ছয় থেকে আটটি স্থানে স্পিডব্রেকার নির্মাণ জরুরি।নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আজগর হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় স্থানে স্পিডব্রেকার নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
