ছাত্রদলের নতুন কমিটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ করা হবে

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:২৬

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করার আন্দোলনে ছাত্রদলকে নিয়ে মাঠে নামতে চায় বিএনপি। ২৭ বছর পর সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ছাত্রদলের কমিটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ করে তাদের সহায়ক শক্তি হিসাবে নিয়ে রাজপথে নামতে চায় দলটি। বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে যারা জেল-জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের রাখা হবে এই কমিটিতে। ফলে কমিটি বড়ো হতে পারে বলে জানান বিএনপির এক সিনিয়র নেতা। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শনিবার সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ করতে যাবেন। সেখানে তারা শপথ বাক্য পাঠ করবেন।

এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় কমিটি ভেঙে দিয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১২ সেপ্টেম্বর আদালতের স্থগিতাদেশে তা আটকে যায়। এরপর কাউন্সিল পরিচালনা কমিটি, ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দফায় দফায় বৈঠক শেষে গত বুধবার রাতে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় ছাত্রদলের কাউন্সিলের ভোট হয়। রাতভর ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে বৃহস্পতিবার ঘোষিত ফলাফলে ছাত্রদলের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেন ইকবাল হোসেন শ্যামল। ১৮৬ ভোট পেয়ে বগুড়ার ফজলুর রহমান খোকন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী রওনুক ইসলাম শ্রাবণ পান ১৭৮ ভোট। অন্যদিকে ১৩৯ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন নরসিংদীর ইকবাল হোসেন শ্যামল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকিরুল ইসলাম জাকির পান ৭৭ ভোট। ছাত্রদলের এই কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোট প্রার্থী ছিলেন ২৮ জন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৯ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ১৯ জন। নিয়মানুযায়ী ১০ শতাংশের কম ভোট পেয়েছেন যারা, তারা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে থাকবেন না। মোট ৫৬৬টি ভোটের মধ্যে ভোট পড়ে ৪৮১টি।