ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট
স্পোর্টস রিপোর্টার
আফগানিস্তানের শুরু দেখে মনে হচ্ছিল, রান পাহাড় গড়তে যাচ্ছে তারা। দুই ওপেনার রীতিমতো ঝড় চালাতে শুরু করেছিলেন বাংলাদেশি বোলারদের ওপর। কিন্তু হঠাত্ সবকিছু শান্ত করে দেন আফিফ হোসেন। মূলত ব্যাটিং অলরাউন্ডার আফিফ ১ ওভারে ২ উইকেট নিয়ে যে ছন্দ তৈরি করেন, সেটা ধরে রেখে আফগানদের পেছন পায়ে ঠেলে দেন মুস্তাফিজ, সাকিব, সাইফউদ্দিনরা।
আফগানিস্তানের শুরুটা ভালো ছিল। ৯.৩ ওভার মেয়াদি উদ্বোধনী জুটিতে তারা ৭৫ রান তুলে ফেলেছিল। বেশি মারকুটে ছিলেন হজরতউল্লাহ জাজাই। তিনি ৩৫ বলে ৪৭ রান করে ফেলেন। এ সময় আফিফ এসে খেলার মোড় অনেকটাই ঘুরিয়ে দেন।
ইনিংসের দশম ওভারে বোলিং করতে আসেন আফিফ। সপ্তম বোলার হিসেবে তার হাতে বল তুলে দেন সাকিব আল হাসান। প্রথম ওভারেই বাজিমাত করে ফেলেন—ডাবল উইকেট মেডেন!
৪৭ রান করা জাজাইয়ের উইকেট তুলে নেন ওভারের তৃতীয় বলে। এক বল বাদেই খালি হাতে ফেরান সাবেক অধিনায়ক আসগর আফগানকে। এই ওভারটি পার্থক্য গড়ে দেয়।
এর পরের ওভারে এসে মুস্তাফিজ অন্য প্রান্তে টিকে থাকা রাহমাতউল্লাহ গুরবাজের উইকেট তুলে নেন। গুরবান ২৭ বলে ২৯ রান করেছিলেন। পরপর দুই ওভারে ফেরত যান মোহাম্মদ নবী ও গুলবাদিন নাইব। নবীকে ৪ রানে এলবিডব্লু করে আউট করেন সাকিব। আর নাইব ১ রান করে হন রান আউট। এরপর এক প্রান্তে লড়াইয়ের আভাস দেওয়া নাজিবুল্লাহ জাদরানকে অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন।
করিম জানাতকে মুস্তাফিজের ক্যাচে পরিণত করে উইকেট শিকারের এই উত্সবে যোগ দেন শফিউল ইসলাম। জানাত ৩ রান করতে পারেন।
এখান থেকে অধিনায়ক রশিদ খানকে নিয়ে একটু প্রতিরোধের চেষ্টা করেন শফিকুল্লাহ শফিক। শেষ পর্যন্ত এই দুজন অপরাজিত থাকেন। শফিক ১৭ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। আর রশিদ ১৩ বলে করেন ১১ রান।
