কাপাসিয়ায় নাগরিক সুবিধা

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:৩৫

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্মস্থান কাপাসিয়া। ফল ও ফসলে সমৃদ্ধ এ উপজেলায় নানান ব্যবসায় ও পল্ট্রিশিল্পের বিকাশ ঘটেছে। গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা। অথচ গাজীপুরের একমাত্র উপজেলা কাপাসিয়া পৌরসভা ঘোষিত হয়নি। নেই গ্যাস লাইন, নেই রেল যোগাযোগ, নেই বিআরটির বাস। কাপাসিয়া উপজেলা সদরে সরকারি কলেজ নেই। তাছাড়া উপজেলা সদরের অলিগলির রাস্তা খুবই সরু, আঁকাবাঁকা ও চলাচলের প্রায় অনুপযোগী। নেই ডাস্টবিনের ব্যবস্থা। উপজেলা সদরের আবাসিক এলাকায় ড্রেনেজব্যবস্থা নেই বললেই চলে। বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, মশার উপদ্রব ও দুর্গন্ধ দারুণ দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেই সড়ক বাতি। নেই হোন্ডা/মোটরবাইক, সিএনজি-অটোরিকশার জন্য স্থায়ী স্ট্যান্ড। কাপাসিয়া শহরের ভেতর দিয়েই বিভিন্ন রুটে বাস ও দূরগামী ভারী ট্রাক-লরি চলাচল করে দিন-রাত। ফলে প্রধান সড়কে যানজট লেগে থাকে এবং পথচারী পারাপারও এখানে ঝুঁকিপূর্ণ। কাপাসিয়ার নাগরিক সুবিধার উন্নতি সাধন তেমন দুরূহ বিষয় নয়। শুধু স্থানীয় সরকার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একটু আন্তরিক হলেই ঢাকার অদূরবর্তী কাপাসিয়া উপজেলাবাসীর যাপিতজীবন হবে আরো মানবিক ও সুখকর।

মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ

সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, কাপাসিয়া, গাজীপুর ১৭৩০