বেড়েছে জনদুর্ভোগ
স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর
রংপুর মহানগরীতে সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে ভরা সড়কগুলো পানি জমে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকার পরও কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে যানবাহন চলাচলে হেঁটেচলা সাধারণ মানুষ দারুণ বেকায়দায় পড়েছে। রংপুর নগরীর লালবাগ কেডিসি রোডের সিটি বিস্কুট ফ্যাক্টরি মোড় হতে খেড়বাড়ি এলাকার এমন চিত্র দেখা যায়। গত দুই দিনের সামান্য বৃষ্টির পানিতে ডুবে রয়েছে এলাকাটির সরু রাস্তাগুলো। লালবাগ কেডিসি রোডের মতো নগরীর বেশিরভাগ পাড়ামহল্লাতে বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে। নিষ্কাশনে উন্নত ও পরিকল্পিত ড্রেনেজব্যবস্থা না থাকায় নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে উঠেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এ ব্যাপারে নগরীর কেডিসি খেড়বাড়ি রোডের আফজাল হোসেন বলেন, নতুন ড্রেন করা হয়েছে একমাস আগে। ড্রেন করার আগে আমাদের এলাকার রাস্তাগুলোতে কোনোদিন পানি ওঠেনি। অথচ দুই দিনের সামান্য বৃষ্টিতে এখন সিটি বিস্কুট ফ্যাক্টরির মোড় হতে খেড়বাড়ি মাজার পর্যন্ত পানিতে ডুবে আছে। শুধু রাস্তা নয় পানি উপচে ঘরের ভেতরেও প্রবেশ করেছে।’
কেডিসি রোডে বসবাসরত কারমাইকেল কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন জানান, সিটি করপোরশনের পক্ষ থেকে ড্রেনের কাজ করা হয়েছে। কিন্তু ড্রেন কোনো উপকারে আসছে না।
রংপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন ইত্তেফাককে মোবাইল ফোনে বলেন, বিভিন্ন সড়কের জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, (জাইকা)র প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। ২০৫ বর্গমাইল রংপুর সিটি করপোরেশনে প্রায় ২৫ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে।
