কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমাঘাট এলাকায় সীমান্তহাট চালুর প্রস্তুতি চলছে। সীমান্তহাটের স্থান নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কুরমাঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন।
কুরমাঘাট স্থলবন্দর এলাকার সীমান্তহাট এলাকা পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মামুনুর রশীদ, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন চৌধুরী, কুরমা বিজিবির ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আব্দুর রউপ, ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হান্নান প্রমুখ। বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ-ভারতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য বাড়াতে বর্ডারহাট বা সীমান্ত বাজার চালুর প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন থেকে প্রস্তাব চলছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের উত্পাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চারটি বর্ডারহাট রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে হাটের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। তবে নতুন আরো ছয়টি বর্ডারহাট চালুর ব্যাপারে দুই দেশই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে প্রথম থেকে কাজ শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাঘাট ও জুড়ি উপজেলার পশ্চিম বিটুলি এলাকায় বর্ডারহাট চালুর কার্যক্রম চলছে। এজন্য কুরমা চা বাগানের এক একর জমিতে হাট করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন বলেন, কুরমাঘাটে সীমান্তহাট চালুর বিষয়ে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।
