ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ডিএনসিসি

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:২৬

প্রথম দিন তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ফুটপাত ও সড়ক থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। গতকাল রবিবার উত্তরার সোনারগাঁও জনপথ থেকে শুরু হয় এ অভিযান। পরে গরীবে নেওয়াজ এভিনিউ, রবীন্দ্র সরণি এবং মাসকট প্লাজার পিছনে ৩৫ নম্বর সড়কের ফুটপাত ও সড়ক থেকে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম, সাজিদ আনোয়ার, আব্দুল হামিদ মিয়া ও জুলকার নায়ন। এ সময় তিন শতাধিক অস্থায়ী দোকান, শেড, সিঁড়ি উচ্ছেদ করে জনগণের চলাচলের জন্য ফুটপাত উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। অভিযানের সময় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় এক জনকে তিন মাসের কারাদণ্ড, অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করায় এক জনকে সাত দিনের কারাদণ্ড এবং দুইটি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘হাংরি ডাক’কে ২ লাখ টাকা এবং ‘খাজানা’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

উচ্ছেদের সময় এক ব্রিফিংয়ে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকে ফুটপাত দখল করে অবৈধ বাণিজ্য করছে, বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক অফিস নির্মাণ করছে, ফলে মানুষ ফুটপাত ছেড়ে মূল সড়ক হাঁটার জন্য ব্যবহার করে। ফুটপাতে কোনো রকম বাণিজ্য চলবে না, কোনো রকম রাজনৈতিক কার্যালয় থাকবে না। আজকে উত্তরা থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ঢাকা উত্তরের সব জায়গায় ডিএনসিসি অভিযান পরিচালনা করবে। আমরা ফুটপাতে কোনো রকম অবৈধ দখল দেখতে চাই না। এখন সময় হয়েছে ফুটপাতগুলো জনগণকে বুঝিয়ে দেওয়ার। আজকের উচ্ছেদের ওপর পর্যালোচনা হবে। পরশুদিন আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। তিনি আরো বলেন, আমি সবাইকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আপনারা আমাদের ফুটপাতগুলো মুক্ত করে দিবেন। মানুষ ফুটপাত দিয়ে হাঁটলে রাস্তায় গাড়ি নির্বিঘ্নে চলতে পারবে, কোনো যানজট থাকবে না। অভিযানের সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফসার উদ্দিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।