ঘিওরে কিশোরীকে ধর্ষণ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:০৯

এক কিশোরীকে ধর্ষণ এবং তার ভিডিও ধারণ করে ইন্টানেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা যুবলীগ নেতা কামরুল হাসান কামালকে গ্রেফতার করেছে ঘিওর থানা পুলিশ। শনিবার ওই কিশোরীর বাবা থানায় মামলা করার পর রাতেই ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়।  গতকাল রবিবার দুপুরে কামালকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। তবে  স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

এদিকে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় আটকের পর কামালকে ঘিওর উপজেলা যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান জনি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে কিশোরীর বড়ো বোনের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তাদের বাড়িতে যায় কামাল। তার আন্তরিক ব্যবহারে ওই পরিবারটির সঙ্গে এই নেতার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই মাস আগে কামাল কৌশলে ওই কিশোরীকে ঢাকায় নিয়ে যায়। সেখানে একটি হোটেলে নিয়ে ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে এবং এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে পরে একাধিকবার কামাল ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের একটি ভিডিও লোক মারফত দেখতে পান মেয়েটির বাবা। প্রতিকার চেয়ে শনিবার তিনি ঘিওর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, শনিবার মামলা হওয়ার পর রাতেই কামালকে গ্রেফতার করা হয়। রিমান্ড আবেদন করার পর জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

রূপগঞ্জে পোশাক কর্মীকে ধর্ষণ

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, রূপগঞ্জে এক পোশাককর্মী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। শনিবার রাতে উপজেলার তেতলাবো এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। রবিবার সকালে ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে ধর্ষিতা জানান, তিনি উপজেলার কর্ণগোপ এলাকার একটি স্পিনিং মিলে হেলপার হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। বেশ কিছুদিন যাবত্ উত্তর মাসাবো এলাকার জয়নালের ছেলে জহিরুল প্রায় সময় তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। জহিরুলের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শনিবার রাতে নাইট শিফটে কাজে যাওয়ার সময় জহিরুল ছাড়াও আরেকজন তাকে জোরপূর্বক অটোতে তুলে তেতলাবো এলাকার খানের বাউন্ডারির ভেতর একতলা বাড়িতে নিয়ে যায়।