ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৫৩

এইচএসসি পরীক্ষা তো শেষ, এখন মাথায় নতুন ভাবনা—কোন বিষয় নিয়ে স্নাতক পড়ব! মা-বাবা, বন্ধু, বড় ভাই, আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে একেক জনের একেক পরামর্শ। তবে নিজের ভালো লাগা বিষয়ের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হয় সময়ের চাহিদাকে। যেমন, সময় এখন পর্যটনের। সারা বিশ্বেই পর্যটনকেন্দ্রিক পড়াশোনার কদর বাড়ছে দ্রুত হারে। সুতরাং আপনার পছন্দ যদি হয় পর্যটন ও আতিথেয়তা, তাহলে চোখ বন্ধ করে ভর্তি হতে পারেন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে।  বাংলাদেশে প্রায় ১৫টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কলেজে পর্যটন নিয়ে পড়ালেখা করার সুযোগ রয়েছে। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কেবলমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই এ বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ইতিমধ্যে তরুণ-তরুণীদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। কেন পর্যটন, কেন ড্যাফোডিল: ‘পর্যটনের সাথে একান্তভাবে যে পড়াটির যোগসূত্র রয়েছে তা হলো হোটেল ম্যানেজমেন্ট। বলা যায় আগামীর পেশা পর্যটন ও হোটেল ম্যানেজমেন্ট।’ এভাবেই কথা শুরু করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দশম সেমিস্টারে পড়ুয়া শিক্ষার্থী আবু সালেহ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বেশকিছু আন্তর্জাতিক চেইন হোটেল ব্যবসা শুরু করেছে। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেটেও বেশ কিছু চার তারকা ও পাঁচ তারকা হোটেল শুরম্ন করেছে তাদের ব্যবসা। এসব হোটেলে প্রচুর দক্ষ কর্মীবাহিনী দরকার হচ্ছে। দেশের বাইরে তো সুযোগ আরও ব্যাপক। বেকারত্ব বাংলাদেশেসহ উপমহাদেশের একটি প্রধানতম সমস্যা। প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানের অপ্রতুলতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেশনজটের কারণে বয়স বেড়ে যাওয়া এই অঞ্চলের কর্মপ্রার্থীদের জন্য এক জীবন-মরণ সমস্যা। আরো তথ্য জানতে পারবেন ০১৮৪৭১৪০০৬১ নম্বরে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কোর্স কারিকুলাম একটু ভিন্নভাবে সাজানো, জানালেন এই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাহবুব পারভেজ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের চার বছরের শিক্ষাজীবনকে আমরা চারটি সেগমেন্টে ভাগ করেছি। প্রথম সেগমেন্ট হচ্ছে রেগুলার বা নিয়মিত কোর্সের আওতাধীন পড়াশোনা, দ্বিতীয় সেগমেন্ট হচ্ছে কো-কারিকুলাম বা সহশিক্ষা কার্যক্রম, তৃতীয় সেগমেন্ট ল্যাব ও অন একুকেশন ট্রেনিং এবং চতুর্থ সেগমেন্ট হচ্ছে ক্যারিয়ার। এই চারটি সেগমেন্টের ভেতর দিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে স্নাতক সম্পন্ন করতে হয় বলে তার পক্ষে কর্মজীবনের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ রূপে গড়ে ওঠা ছাড়া বিকল্প থাকে না।  ভর্তি সংক্রান্ত আরো জানতে ভিজিট করতে পারেন   www.daffodilvarsity.edu.bd  ঠিকানায়।