প্রাচীনকালে যে সন্দ্বীপ ছিল জাহাজ নির্মাণের জন্য বিখ্যাত, যুগের আধুনিকায়নেও সেই সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম পারাপারে পোহাতে হয় নানা বিড়ম্বনা। সাড়ে চার লাখের অধিক সন্দ্বীপবাসীকে প্রবাসযাত্রা, চাকরিতে যোগদান, শিক্ষা ও চিকিত্সাসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজে প্রতিনিয়ত সাগড় পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম আসতে হয়। সাতটি ফেরিঘাট থাকলেও বেশিরভাগ যাত্রী পারাপার হয় কুমিরা-গুপ্তছড়া ঘাট দিয়ে। কিন্তু যাত্রীদের টিকেট ব্যবস্থাপনায় নেই কোনো নিয়ম-শৃঙ্খলা। ২০১৭ সালের ২ এপ্রিল লালবোটে ১৮ জন প্রাণহানির পরেও বন্ধ হয়নি বকশিসের নামে চাঁদাবাজি। সরকারি কোনো নৌযান তো নেই, যা আছে লক্কর-ঝক্কর মার্কা ইঞ্জিন, যা মাঝপথেই বিকল হয়ে যায় প্রায়ই। আবার রোগীদের জন্য একটি সি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও সেটি একদিনের জন্যও ব্যবহার হতে দেখা যায়নি। তাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নৌখাতের সর্বাধিক উপযুক্ত ব্যবহারে নৌ-মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আবদুস সামাদ রিফাত, সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম
