তবু ৪০ মিলিয়ন লোকসানে জুভেন্তাস!

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:৪৫

স্পোর্টস ডেস্ক

অনেক আশা নিয়ে নতুন চমক গড়েই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে দলে ভিড়িয়েছিল জুভেন্তাস। যদিও ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নটির হয়ে লিগ শিরোপা বাদে বড়ো কোনো ট্রফি এখনো জিততে পারেননি পর্তুগিজ এই তারকা। এখানেই শেষ নয়, রোনালদো আসার পর ব্যাবসায়িক লাভের মুখও দেখেনি সিরি ‘এ’র ক্লাবটি। বরং বিরাট অঙ্কের ক্ষতিরই মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের।

রোনালদো আসার পরও জুভেন্তাসের প্রায় ৪০ মিলিয়ন (৩৯.৯ মিলিয়ন ইউরো) ইউরো ক্ষতি হয়েছে। ক্লাবটির বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের মোট লভ্যাংশ ছিল প্রায় ৬২১.৫ মিলিয়ন ইউরো। আশার ব্যাপার হলো, এটা গত মৌসুমের মোট লভ্যাংশ থেকে ১১৬.৮ মিলিয়ন ইউরো বেশি। আয় বাড়লেও এখনো লাভের মুখ দেখতে পারেনি ক্লাবটি।

ক্লাব থেকে আর্থিক ক্ষতির কারণ হিসেবে নতুন খেলোয়াড় চুক্তি, খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, টেকনিক্যাল ও কোচিং স্টাফদের পেছনে খরচ বাড়াকে দায়ী করা হয়েছে। তবে রোনালদো আসায় একটা লাভ হয়েছে। টিকিট ও নিজেদের সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসর ইত্যাদি ক্ষেত্রে মুনাফা বেড়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষের। ২০১৯ সালের ৩০ জুন অবধি সময়ে টিকিট বিক্রি থেকে জুভেন্তাসের আয় হয়েছে ১৫ মিলিয়ন ইউরো। আর জার্সিসহ অন্যান্য পণ্য ও লাইসেন্স বিক্রি করে আয় ২৭.৮ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ৪৪ মিলিয়ন-এ দাঁড়িয়েছে।

 নতুন খেলোয়াড় কেনা বাবদ ক্লাবের বর্তমান দেনা প্রায় ৪৬৩.৫ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে। এই অবস্থায় ক্লাবটি মুনাফা বাড়াতে পাঁচ বছর মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই পরিকল্পনা ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে ২০২৩-২৪ মৌসুম পর্যন্ত চালু থাকবে। এজন্য ক্লাবের অংশীজনেরা আগামী অক্টোবরের ২৪ তারিখে আলোচনায় বসবেন। আন্তর্জাতিক বাজারে মুনাফা বৃদ্ধি, ব্র্যান্ডিংয়ের মান বাড়িয়ে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য জুভেন্তাসের পরিচালনা পরিষদ এই উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে।

বার্ষিক এই আর্থিক প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়েছে যে ক্লাবটি আট বছরের জন্য ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে স্পনসরশিপের চুক্তিতে গেছে। এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২০২৭ সালে। এর পরিমাণ প্রায় ৪০৮ মিলিয়ন ইউরো। আর সঙ্গে আছে বোনাসও।