ফতুল্লার শিহারচরের নিজ বাড়ি থেকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে ব্যবহূত বিস্ফোরক ও আলামত পাওয়ায় রীতিমতো হতবাক মালিক বাংলাদেশ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএম জয়নালউদ্দিন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তিনি ফতুল্লার নিজ বাড়িতে এসে এ ঘটনা শুনে হতবিহল হয়ে পড়েন। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন। তিনি বলেন, কীভাবে কি ঘটল কিছুই বুঝতে পারছি না। সাত দিন আগেও যখন বাড়ি তালা মেরে যাই তখনো চৌকি আর ঘাস পরিষ্কার করার কাঁচি ছাড়া কিছুই ছিল না। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী হতে রবিবার রাতে মিজানকে গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্য মতেই সোমবার ভোরে ফতুল্লার শিহারচর থেকে রুমিকে গ্রেফতার করা হয়। আটক করা হয় তার স্ত্রী জান্নাতুল ফোয়ারা অনুকেও। পরে অভিযান চলে শিয়ারচরের তাদের বাড়িতে। রুমির আরেক ভাই জামালউদ্দিন রফিককে আটকের কথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা স্বীকার না করলেও পরিবারের দাবি তারা তাকেও নিয়ে গেছে।
ছেলেদের প্রসঙ্গে জয়নালউদ্দিন বলেন, তাদের মধ্যে হঠাত্ করে কোনো পরিবর্তন দেখিনি। তারা স্কুল, কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার সময়ও তেমন কিছু চোখে পড়েনি। প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী কেউ তাদের খারাপ বলতে পারবে না । মানুষ তো ন্যূনতম খারাপ কাজের জন্য নালিশ দেয় তাদের বিরুদ্ধে সেটাও কখনো আসেনি। তিনি জানান, বড়ো ছেলে রুমি রাজধানীর আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ও প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক। ছোটো ছেলে রফিক কুয়েট থেকে পড়ালেখা শেষ করে চাকরির জন্য চেষ্টা করছে। জয়নালউদ্দিনের দাবি তার সন্তানদের যেন অন্যায়ভাবে ফাঁসানো না হয়।
