দুর্নীতির অভিযোগ ব্যক্তিকেন্দ্রিক হওয়ায় সমঝোতা বৈঠকে যাইনি

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:৩৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগকে ঘিরে গড়ে ওঠা আন্দোলনের সমঝোতা বৈঠকে অনুপস্থিত থাকায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আমির হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। তবে উপাচার্য ও তার পরিবারের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সমঝোতা বৈঠকে যাননি বলে দাবি করেন অধ্যাপক আমির হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের কার্যালয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব লিখিত আকারে জমা দেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আমির হোসেন। উপাচার্যের পক্ষে লিখিত জবাব গ্রহণ করেন সহকারী রেজিস্ট্রার তফাজ্জল হোসেন।

নোটিশের জবাবে অধ্যাপক আমির হোসেন বলেন, ‘আপনার কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়ে অবাক ও অপমানিত হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট অনুযায়ী, উপ-উপাচার্যকে লিখিত কারণ দর্শানোর পত্র পাঠানোর এখতিয়ার আপনার নেই। কারণ দর্শানোর নোটিশে যে সভার কথা উল্লেখ করেছেন, তা মূলত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সমঝোতা চেষ্টার একটি বৈঠক ছিল। উক্ত সভায় উপ-উপাচার্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিল বলে যে দাবি করেছেন তা নিতান্তই আপনার মনগড়া। বাধ্যবাধকতার বিষয়ে কোনো অফিস আদেশের কথা আমার জানা নেই।’

অভিযোগ যেহেতু ব্যক্তিকেন্দ্রিক, তাই এ বিষয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করাটাও একান্ত ব্যক্তিগত। সেজন্য উক্ত বৈঠকে আমার কিছু বলার ছিল না বলে মনে করেছি।

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।