ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশের শিল্প, সেবা, কৃষিসহ সবখাতে উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণিত দশ বছর মেয়াদি ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্লান বাস্তবায়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশ। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে উত্পাদনশীলতা উন্নয়নে বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও এনপিওর পরিচালক এসএম আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম। এতে বিটাকের মহাপরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক মো. মুয়াজ্জেম হোসাইন এবং সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি মির্জা নূরুল গণি শোভন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে উত্পাদনশীলতা আন্দোলন বেগবান করতে সরকারের সঙ্গে অংশীদারির ভিত্তিতে এপিও সোসাইটি কাজ করবে। খাতভিত্তিক উত্পাদনশীলতা বাড়াতে সংগঠনের উদ্যোগে শিগগির কর্মশালার আয়োজন করে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। এ সময় উত্পাদনশীলতার উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলো থেকে এপিওর প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে একটি ফেডারেশন গঠনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প সচিব বলেন, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনের জন্য মানুষের দক্ষতা ও শিল্প খাতে উত্পাদনশীলতা বাড়াতে হবে। তিনি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের বিষয়টি মাথায় রেখে জনগণের মধ্যে উত্পাদনশীলতা ধারণা বদ্ধমূল করা তাগিদ দেন।
উল্লেখ্য, এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশ হচ্ছে জাপানভিত্তিক এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও) আয়োজিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশিদের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এটি জাতীয় পর্যায়ে উত্পাদনশীলতার উন্নয়নে সরকারের অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।
