মেসির চোটে উদ্বিগ্ন নন কোচ

বার্সেলোনার কষ্টার্জিত জয়

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:১১

 স্পোর্টস ডেস্ক

লিওনেল মেসি চোট কাটিয়ে শুরুর একাদশে ফিরলেও পুরোটা সময় খেলতে পারেননি। বরং আরেক দফা চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছেন প্রথমার্ধ শেষেই। অবশ্য গত মঙ্গলবার রাতে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে যেটুকু সময় খেলেছেন তাতেই বার্সেলোনার ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। মেসির এই চোটে অবশ্য উদ্বেগের কিছু দেখছেন না বার্সেলোনা কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে।

বার্সেলোনা চলতি মৌসুমে প্রতিপক্ষের মাঠে বিবর্ণ হলেও, ন্যু ক্যাম্পে ঠিকই অদম্য। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষেও সে ধারা ধরে রেখে পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যায় ভালভার্দের শিষ্যরা। অধিনায়ক মেসির নেয়া কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে দুরুহ এক কোণ থেকে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান আন্তোনিও গ্রিজমান। এর মিনিট দশেক পর আর্থার মেলোর দূরপাল্লার চেষ্টায় ব্যবধান দ্বিগুণ করে কাতালান দলটি। বিরতির ঠিক আগের মিনিটে সান্তি কাজোরলার গোলে ব্যবধান কমায় সফরকারী ভিয়ারিয়াল। 

চোট থেকে এক ম্যাচ আগেই মাঠে ফেরা মেসি এ রাতে আবারও চোটের শিকার হলে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তাকে মাঠ থেকে তুলে নেন বার্সা কোচ। কাফ মাসলে চোটের কারণে মৌসুমের শুরুর তিনটি ম্যাচ খেলতে না পারা আর্জেন্টাইন তারকা এবার উরুতে চোট পেয়েছেন। তবে একে ছোটোখাটো অস্বস্তি হিসেবেই দেখছেন ভালভার্দে। 

বার্সা কোচ ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘তার উরুর সংযোজক পেশিতে ছোটো একটা সমস্যা হয়েছে। যখন মেসির কিছু হয় তখন সবকিছু থমকে যায়। শুধু মাঠেই নয়, গ্যালারিতেও এমনটা হয়। সতর্কতার কারণেই তাকে নিয়ে আর ঝুঁকি নিতে চাইনি আমরা। কাগজে-কলমে এটা বেশি কিছু নয় কিন্তু এর পরিণতি দেখার জন্যে কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের।’

ফরোয়ার্ড গ্রিজমান জানালেন আরো উন্নতি প্রয়োজন দলের, ‘আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের আরো বেশি পরিশ্রম করতে হবে। তাহলেই আমরা আরো ভালো করতে পারব।’

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ থেকে বার্সেলোনায় আসার পর ছয়টি লিগ ম্যাচে তিন গোল করলেও নিজের সেরা ছন্দে এখনো পৌঁছুতে পারেননি এই ফরাসি। তবে নতুন ধরনের ফুটবলে মানিয়ে নিতে আরো কিছু সময় চাইলেন গ্রিজমান, ‘এটা ভিন্ন ঘরানার ফুটবল। আমি জানতাম এখানে মানিয়ে নেয়াটা কঠিন হবে এবং এজন্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাকে আরো উন্নতি করতে হবে।’ তবে নিজের পারফরমেন্সে একেবারে হতাশও নন তিনি। গ্রিজমানের ভাষ্য, ‘এটা একেবারে খারাপও নয়। আমি তিনটি গোল করেছি এবং আমি মাত্রই এসেছি।’

ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে জয় বার্সেলোনাকে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চারে ফিরিয়ে এনেছে। ছয় ম্যাচ থেকে তিন জয় আর একটি ড্র নিয়ে ১০ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে তারা। সমানসংখ্যক ম্যাচ থেকে ১১ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে গ্রানাডা।