গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা
প্রতীকী নৌকা টাঙ্গানোর সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোহিদ গ্রুপের হামলায় প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের রিকাত গ্রুপের ৫ কর্মী আহত হয়েছেন। সোমবার দূর্লভপুর-ভরাট বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত আজমত আলীর ছেলে রাসেল হোসেন ও স্ত্রী মর্জিনা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক টাঙানোর অপরাধে ছাত্রলীগ নেতা তোহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ওই গ্রামের ১৫/২০ জন লোক রামদা, লাঠি-শোঠা নিয়ে হামলা করেছে। ছাত্রলীগ নেতা তোহিদ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক। আমরা আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থিত লোক। তাই সেটা সে মেনে নিতে পারছে না।
অন্যদিকে রিকাত বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার লোকজনের ওপর হামলা করা হয়েছে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান এমপি মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন শেষ দিনে তার মনোনয়পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
ছাত্রলীগের সভাপতি তোহিদুল ইসলাম জানান, রবিবার রাতে জিয়া ও তাদের লোকজন ভরাট গ্রামের খবির উদ্দীনের ছেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী তক্কেল হোসেনকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। তক্কেল হোসেন এখন গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাধীন। তার মাথায় ১৫টি সেলাই হয়েছে। এছাড়া আরেক কর্মী আযাদ হোসেনের চায়ের দোকানে হামলা করে ভাঙচুর করেছে। পরে তাদের বানানো প্রতীকী নৌকা নিজেরাই ভাঙচুর করেছে। সোমবার সকালে তক্কেল হোসেনের ভাই (ফড়িয়া) ধান ব্যবসায়ী মিজান হোসেন ধান কিনতে গেলে তার ওপরও হামলা করে। এ ঘটনার জেরে সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা নিজেরাও আওয়ামী লীগ করি। নৌকা ভাঙার প্রশ্নই আসে না। নিজেদের দোষ ঢাকতেই তারা এখন নৌকা প্রতীক ভাঙার অভিযোগ আনছে।
নৌকার প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বলেন, এই সংঘর্ষ নির্বাচনের আগে একটি অশনিসংকেত। তিনি বলেন, দুই পক্ষের দুজনের মধ্যে একজন ছাত্রলীগ সভাপতি তৌহিদ বর্তমান এমপি মকবুল হোসেনের সমর্থক ও অন্যজন রিকাত আলী খালেক গ্রুপের সমর্থক। স্থানীয় ভরাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের জের ধরে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে।
গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার বলেছেন, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গেছে। তবে আহত পক্ষের লোকজন মামলা করতে আসছে বলে শুনেছি।
মেলান্দহ আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, আহত ১২
মেলান্দহ (জামালপুর) সংবাদদাতা জানান, মেলান্দহে আ’লীগ-বিএনপি’র মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় কমপক্ষে ১২জন আহতের ঘটনা ঘটেছে। ১০ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে দুরমুঠের হযরত শাহ্ কামাল রহ.-র মাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মেলান্দহ বিএনপি’র সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল নেতা-কর্মীদের নিয়ে হযরত শাহ্কামাল রহ-এর মাজার শরীফ জেয়ারতে গেলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এতে উভয় পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় অন্তত ১০/১২জন আহত হয়।
