রংপুর অফিস
রংপুরের ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটিতে লড়বে নৌকা ও লাঙ্গল। রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু ও খেলাফত মজলিশের প্রার্থী মওদুদা আকতার দিনা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এনামুল হাবীব।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, রংপুরের সংসদীয় ছয়টি আসনে বিভিন্ন দলের মোট ৬১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়। নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তাদের অনেকে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এদিকে রংপুরের ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটিতে মহাজোট এবং চারটিতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া তিনটি উন্মুক্ত আসনে নৌকা ও লাঙ্গলের প্রার্থীরা মাঠে থাকছেন। জোটগত সমীকরণে এবার নৌকা-লাঙ্গল ও ধানের শীষ প্রতীকের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া-আংশিক সিটি) আসনে মহাজোটের মশিউর রহমান রাঙ্গা, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলুর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা। অন্যদিকে রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, জাতীয় পার্টির আসাদুজ্জামান চৌধুরী সাবলু, বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার এবং জাপার মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছুল ইসলাম মন্ডল, রংপুর-৩ (সদর ও সিটি কর্পোরেশন) আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ঐক্যফ্রন্টের রিটা রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের আমিরুজ্জামান পিয়াল, রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের টিপু মুনিস, বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা, জাতীয় পার্টির মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে আওয়ামী লীগের এইচএন আশিকুর রহমান, ঐক্যফ্রন্টের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, জাতীয় পার্টির এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর এবং রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে মহাজোট প্রার্থী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং বিএনপির সাইফুল ইসলামের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভোটাররা জানিয়েছেন।
