ব্রিটেনে পার্লামেন্ট স্থগিত করে বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ার পর সুপ্রিমে কোর্টের রায়ে সেই আদেশ অবৈধ ঘোষিত হওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কিছু বক্তব্য নিয়ে ফের সমালোচনা হচ্ছে। আদালতের রায়ের পরও তিনি তার অবস্থানে অনড় আছেন। তিনি বলেছেন, জাতীয় এই বিতর্কের সময় রাজনৈতিক প্রশ্নে এমন রায় দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের ভুল হয়েছে।
এর আগে বরিস জনসনের সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছিল দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঘিরে অচলাবস্থা কাটাতে জনসনের পার্লামেন্ট স্থগিতের সিদ্ধান্তকে বেআইনি বলে রুল জারি করে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। স্থগিতাদেশ অকার্যকর হওয়ায় পার্লামেন্টে ফিরতে শুরু করেন ব্রিটিশ এমপিরা। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও ওঠে। বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিন বলেন, জনসন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন। তার অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।
তবে বরিস জনসন ছোটো দলগুলোকে সাধারণ নির্বাচনের জন্য আস্থা ভোটেরও আহ্বান জানিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট যখন এমন রায় ঘোষণা করে তখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ছিলেন বরিস জনসন। আদালতের রায়ে ফের সংসদ অধিবেশন শুরু হলে দেশে ফিরেই বিমানবন্দর থেকে সংসদে গিয়ে এমন কথা বলে তিনি।
উল্লেখ্য, ব্রেক্সিট ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়ে গত মে মাসে পদত্যাগের ঘোষণা দেন দেশটির তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তিনি সরে দাঁড়ানোর পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন কট্টর ব্রেক্সিটপন্থি বরিস জনসন। আগামী ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।—বিবিসি
