সাফ অনূর্ধ্ব—১৮ চ্যাম্পিয়নশিপ
স্পোর্টস রিপোর্টার
ছোটোদের সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এবং ভারত লড়াই করবে আগামীকাল। গতকাল নেপালের কাঠমান্ডুতে সাফের (অনূর্ধ্ব-১৮) প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ৪-০ গোলে ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। বিকালে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত ৪-০ গোলে মালদ্বীপকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। এ নিয়ে এ টুর্নামেন্টের তিন আসরেই বাংলাদেশ হারাল ভুটানকে।
স্বাগতিক নেপাল আগেই গ্রুপ পর্ব হতে বিদায় নেয়। নেপালে প্রথম দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন দল। এবার অনূর্ধ্ব-১৮ সাফের তৃতীয় আসরে গ্রুপ পর্বে একটি ম্যাচও জিতেনি নেপাল।
২০১৫ সালে যখন প্রথম সাফ শুরু হয় সেবার ছিল অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সেই আসরে বাংলাদেশ তৃতীয় হয়েছিল। সেবার গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ ২-০ গোলে ভুটানকে হারিয়েছিল। নেপালে অনুষ্ঠিত সেই আসরে আফগানিস্তানও খেলেছিল। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে গোল শূন্য ড্র করলেও টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হেরে বিদায় নেয় বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয় ভুটানে। অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সটাকে কমিয়ে অনূর্ধ্ব-১৮ করা হলো এএফসির খেলার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার জন্য। দ্বিতীয় আসরে পাঁচ দেশ নিয়ে লিগ পদ্ধতিতে খেলে নেপাল চ্যাম্পিয়ন হয়। নেপাল চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্সআপ হয়। ভারত তৃতীয় হয়। দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছিল বাংলার ফুটবলার জাফর ইকবালরা। ভারতের বিপক্ষে ৩ গোলে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ ম্যাচ জিতল ৪-৩ গোলে। সেবারও ভুটানকে হারিয়েছিল বাংলার তরুণ ফুটবলাররা।
এবার তৃতীয় আসরে ভুটান মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে ধরে নেওয়া হয়েছিল। সেমিফাইনালে ভুটান বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পাবে এমন স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। ৪-০ গোলের বড়ো ব্যবধান বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারদের ফাইনালে ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ভুটানের জালে গোল করেন তানভীর, ফাহিম, মারাজ ও দিপক। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ৩-০ গোলে এগিয়েছিল।
তানভীর, মারাজ, ফাহিম, হূদয়, জামির, মোরশেদ, ইয়াসিন আরাফাতরা শুরু থেকেই ভুটানকে চেপে ধরে। খেলার ১৬ মিনিটেই থ্রো থেকে তানভীর হোসেন হেডে গোল করেন ১-০। পুরো খেলা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ২৭ মিনিটে ফাহিম গোল করেন ২-০। ৩২ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন মারাজ হোসেন। ৩-০ গোলে এগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করা বাংলাদেশ আর গোল পাচ্ছিলই না। বরং দ্বিতীয়ার্ধ ভুটান একটু গুছিয়ে খেলার চেষ্টা করে। তবে ওমর ফারুক মিঠু, সম্রাট, দিপকরা সুযোগ নিয়ে চতুর্থ গোল আদায় করে ইনজুরি টাইমে। দিপকের গোলে ব্যবধান ৪-০ হয়।
