অজিত গুহ-আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্মৃতি পুঁথিকুঞ্জ উদ্বোধন

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:২৮

জবি সংবাদদাতা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচ তলায় ‘অজিত গুহ-আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্মৃতি পুঁথিকুঞ্জ’ নামক পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ পাঠাগার উদ্বোধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান। এরপর পাঠাগার পর্ষদের উদ্যোগে বাংলার নব জাগরণের পথিকৃত্ ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের দুইশততম জন্মবার্ষিকীতে অস্থায়ী বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

মনীষী ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নির্মিত অস্থায়ী বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে একটি সংক্ষিপ্ত আলেচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং ‘অজিত গুহ-আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্মৃতি পুঁথিকুঞ্জ’-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আরিফুল ইসলাম আবেদের পরিচালনায় আলেচনা সভায় বক্তব্য দেন—উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান আরজুমান্দ আরা বানু, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সিত্তুলমুনা হাসান এবং ‘অজিত গুহ-আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্মৃতি পুঁথিকুঞ্জ’-এর সংগঠক প্রসেনজিত্ সরকার।

জবিতে হঠাত্ ছাত্রদলের মহড়া

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে বেগম খালেদা জিয়ার নামফলক পুনরায় স্থাপনের জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি এবং মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জবি শাখা ছাত্রদলের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী এ মহড়ায় অংশ নেন। এসময় তারা পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলায় অবস্থান নেন।

জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, অবিলম্বে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তি দিতে হবে। না হলে ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্তি দিতে সরকারকে বাধ্য করবে। এছাড়া আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে খালেদা জিয়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী নামফলক আগামী দুই দিনের মধ্যে পুনরায় স্থাপন করতে হবে। তা না হলে ক্যাম্পাস ধর্মঘটের মতো কঠোর কর্মসূচির ডাক দেব।

এ সময় জবি শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এ ডি এম বাকির জুয়েল, মোস্তাফিজুর রহমান মিলন, রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান, ইব্রাহিম কবির মিঠু, ইমরান হোসেন পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে দ্বিতীয়বারের মতো নামফলকটি ভাঙচুর করা হয়। এর আগে ২০১৭ সালের জুনে প্রথম ভাঙা হয়েছিল নাম ফলকটি। পরে শাখা ছাত্রদলের ক্যাম্পাসে মিছিল ও উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার একদিন পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ফের নতুন নামফলক স্থাপন করে।