রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন
স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর
নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে কোনো ভোটকেন্দ্রে ভোটার বা প্রার্থীদের এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার রংপুর সরকারি কলেজে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ নেই কেন?—এ প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, সামপ্রতিক সময়ের নির্বাচনগুলোতে বড়ো একটি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন না হওয়াতে প্রার্থীরাও ভোটারদের কাছে যায়নি। এ কারণে ভোটারদের কাছে নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ কম। তবে ভোট প্রদানে কেন আগ্রহ কমছে, তা গবেষণার প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় সাধারণ ভোটারদের আস্থার সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন সারা পৃথিবীর মানুষ আস্থাহীনতায় ভুগছে। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে এগিয়ে। মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা নেই। বাবা সন্তানকে বিশ্বাস করে না। সন্তান বাবার প্রতি আস্থা রাখতে পারছে না। এ আস্থাহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
ইভিএম নিয়ে বিএনপির অভিযোগ নাকচ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, সম্প্রতি বগুড়ার উপনির্বাচনে তো ইভিএম ছিল। বিএনপি সেখানে জয়ী হয়েছে। তখন তো ইভিএম নিয়ে কোনো কথা ওঠেনি। আশা করছি রংপুর নিয়েও কারো কোনো কথা বলার সুযোগ থাকবে না। ভোটকেন্দ্র থেকে কোনো এজেন্টকে বের করে দেওয়া কিংবা কোনো ভোটারকে কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়াসহ ভোট গ্রহণ স্থগিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, রংপুর-৩ আসনের নির্বাচনে ১৭৫টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট নেওয়া হবে। এজন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান, যুগ্মসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান, রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জি.এম সাহাতাবউদ্দিন প্রমুখ।
