গায়ে আগুন দিয়ে রাজশাহী পলিটেকনিকের ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:৩৪

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিকের এক শিক্ষার্থী গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। শনিবার দুপুরের এ ঘটনায় লিজা রহমান (২০) নামে ঐ শিক্ষার্থী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নগরীর শাহ্ মখদুম থানার ওসি মাসুদ রানা জানান, আহত লিজার বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। তার স্বামী সাখাওয়াত হোসেনের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে। উভয়ে ভালোবেসে বিয়ে করে নগরীর বিহারি কলোনিতে বাসা নিয়ে বসবাস করছিলেন। কিন্তু তাদের বিয়ে কারো পরিবারই মেনে নেয়নি। শনিবার সকালে বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে সাখাওয়াত তার স্ত্রী লিজাকে ছেড়ে চলে যেতে চান। এ সময় লিজা তার স্বামীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। বিষয়টি জানতে পেরে সাখাওয়াতের মা-বাবা এসে ছেলেকে নিয়ে যান। পরে এ ব্যাপারে লিজা নগরীর শাহ্ মখদুম থানায় অভিযোগ করতে যান। কিন্তু অভিযোগ না করে লিজা থানা থেকে বেরিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান। রামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিত্সকরা জানান, লিজার শরীরের সামনে কোমরের ওপর থেকে মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালীসহ প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) এর মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সদর গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ঐ শিক্ষার্থী প্রথমে থানায় যান। পরে স্বামীর সাথে সমঝোতার কথা বললে তিনি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে অভিযোগ করতে যান। সেখানে নিজের নাম-ঠিকানা বলার পর মামলা করবেন কিনা, জানতে চাইলে তিনি কিছু না বলেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পরে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।