বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএনএ) নেতৃবৃন্দ বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রুলস অব বিজনেস এলোকেশন অনুসরণ না করে এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের বিধি-বিধান ভঙ্গ করে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিভিন্ন নামে কোর্স পরিচালনা করে আসছে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল ও বিভিন্ন সংগঠন থেকে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানোর পরেও তা বন্ধ হয়নি। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মতো একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে শিক্ষার সকল ক্ষেত্রে ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও মানহীন এসব শিক্ষার্থী নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের নিবন্ধিত সরকারি ও বেসরকারি নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে পাশকৃত ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্স সম্পন্নকারীদের ন্যায় নিবন্ধনের দাবি করছে। তারা বলেন, কোর্স-কারিকুলাম, কোর্সের শিরোনাম, নীতিমালা ও মেয়াদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বিভাগ, সব ক্ষেত্রে ভিন্নতা নিয়ে অন্য একটি কোর্সের নিবন্ধন বা লাইসেন্স পাওয়ার অযৌক্তিক দাবিতে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে বৈধভাবে পাশকৃতদের কম্প্রেহেনসিভ/লাইসেন্সিং পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গতকাল রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, অপ্রশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত জনবলকে প্রশিক্ষিত ও সুশিক্ষিত বৈধ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি পাশকৃতদের সমমর্যাদায় নিবন্ধন দেওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ ও অযৌক্তিক। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে যেমন জনস্বাস্থ্য সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে তেমনি নার্সিং শিক্ষা ও সার্ভিস অবকাঠামো মারাত্মক ভেঙে পড়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যসেবাকে নিশ্চিত ঝুঁকির হাত থেকে বাঁচাতে কোনো অবস্থায়ই ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সের নিবন্ধন প্রদান উচিত হবে না। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। এ সময় আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইসমত আরা পারভীন, মহাসচিব মো. জামাল উদ্দিন বাদশা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
