হায়দারাবাদে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:৫১

ভারতের হায়দারাবাদে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের দায়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযোগ প্রত্যাহারে চাপ দেয়ায় আরও ১০ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।  

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হায়দারাবাদের রাচাকন্দায় মুচা প্রশান্ত রেড্ডি নামে একজনের পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করতেন ধর্ষিত সেই নারী। তার স্বামীও তার সাঙ্গেই কাজ করতেন। ১৮ সেপ্টেম্বর মুচা রেড্ডির নেতৃত্ত্বে সেই নারী ও তার স্বামীকে ফার্ম থেকে তুলে নিয়ে যায় কিছু দুর্বৃত্ত। পাশের গ্রামেরই আরেকটি ফার্মে নিয়ে বন্দী করে রাখা হয় তাদের।

পরে তিনদিন ধরে ওই নারীকে ধর্ষণ করে রেড্ডি ও তার লোকেরা। একইসঙ্গে তার স্বামীকেও ব্যাপক মারধর করে তারা। এমনকি সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে ধর্ষিতাকেও লাঠি, রড আর বেল্ট দিয়ে মারধর করে ধর্ষকরা।  

ধর্ষিতা নারী পুলিশকে বলেন, ২০ সেপ্টেম্বর তাকে ও তার স্বামী ছেড়ে দেয় রেড্ডির লোকেরা। এসময় তাদের হুমকি দেয়া হয়, পুলিশের কাছে গেলে তাদের মেরে ফেলা হবে। 

আরও পড়ুন : যাত্রীদের ক্ষোভের মুখে সদরঘাটে প্রবেশ ফি বেড়েছে দ্বিগুণ

পুলিশ জানায়, ঐ নারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুচা রেড্ডিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে তারা। এদের মধ্যে মুচ্চা রেড্ডির আপন ভাইও আছে।

পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর মুচা রেড্ডি ঐ নারী ও তার স্বামীকে ১ লাখ ২ হাজার টাকা দেয় অভিযোগ সরিয়ে নেয়ার জন্য। এছাড়া ২০ হাজার টাকা দিয়ে সে আরও ১০ জন লোক ভাড়া করে তাদের হুমকি-ধামকি ও চাপ দেয়ার জন্য। সেই ১০ জন লোককেও নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, 'সেই ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।' সূত্র : এএনআই

ইত্তেফাক/মিশু