অতিদারিদ্র্য দূর করতে পিকেএসএফের নতুন প্রকল্প

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০১৯, ২১:০৩

ইত্তেফাক রিপোর্ট

দেশে অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনতে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে পল্ল­ী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। পাথওয়েস টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপি) নামের নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ লাখ মানুষের টেকসই উন্নয়ন ২০টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ১৩টি জেলার প্রায় ১৫০টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৭৩ কোটি টাকা। পিকেএসএফ ভবনে গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর আর্থিক সহযোগিতায় প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ছয় বছর (২০১৯-২০২৫) মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে। পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ডিএফআইডি বাংলাদেশের প্রধান জুডিথ হার্বার্টসন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের হেড অব কো-অপারেশন মার্শিও চ্যান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে অতিদারিদ্র্য ৮.৯ শতাংশে নামিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এক বড়ো চাপ। পিপিইপিপি প্রকল্প টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট-১ অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে ডিএফআইডির প্রধান জুডিথ হার্বার্টসন বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সব সময় উন্নয়নের আসল চিত্র তুলে ধরে না। বাংলাদেশে এখনো অসমতা, অপুষ্টি, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো প্রকট সমস্যা বিদ্যমান। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে এক্ষেত্রে সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মার্শিও চ্যান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বৈষম্য একটি বড়ো বাধা বলে উল্লেখ করেন। পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ কমপক্ষে ৬ কোটি দরিদ্র মানুষকে পিকেএসএফ সহায়তা প্রদান করছে। পিকেএসএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কিউ এম গোলাম মাওলা প্রকল্প সম্পর্কে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।