স্পোর্টস ডেস্ক
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনাল গত সোমবার রাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ১-১ গোলে ড্র করে। এই ড্রটির পর ইংলিশ ফুটবলের বোদ্ধারা মনে করছেন উভয় দলের খেলা দেখে তাদের মনে হয়েছে এরা যেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের মধ্য সারির দল।
অথচ একসময় আর্সেনাল-ম্যান ইউর লড়াইকে দেখা হতো ‘হাইভোল্টেজ’ ম্যাচ হিসেবে। কোচ ওলে গুনার সোলসারের ইউনাইটেড বিরতির আগের মিনিটে ম্যাকটমিনে গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বিরতির পর খেলা শুরু হলে ৫৮তম মিনিটে পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াংয়ের গোলে সমতায় ফেরে আর্সেনাল। এরপর আর কোনো দলই বন্ধ্যত্ব ঘুচাতে পারেনি।
সফরকারীদের গোলটি অবশ্য প্রথমে অফসাইড বলে বাতিল করে দিয়েছিলেন লাইন্সম্যান। পরে ভিএআর প্রযুক্তি দেখে রেফারি সেটিকে গোল হিসেবে ঘোষণা করলে খুশিতে আত্মহারা হয় গানার সমর্থকরা। আর্সেনালকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে আরো অবদান রাখেন গোলরক্ষক বার্নড লেনো। তিনি খেলার শেষ দিকে ম্যাগুয়ার ও মার্কাস রাশফোর্ডের দুটি আক্রমণ রুখে দিয়ে দলকে বাঁচান।
প্রিমিয়ার লিগে সাত ম্যাচ শেষে তিনটি করে জয় ও ড্রয়ে ১২ পয়েন্ট পাওয়া আর্সেনাল এখন আছে চতুর্থ স্থানে। অপরদিকে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এটি তাদের গত ৩০ বছরে মধ্যে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ লিগে সবচেয়ে বাজে শুরু। এর আগে ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে তারা সাত খেলা শেষে পয়েন্ট টেবিলে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়েছিল।
কোচ সোলসার খেলা শেষে বলেন, ‘আমরা কতবার ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিলাম এবং দ্বিতীয় গোল পাইনি—আমাদের জন্য এটা আসলে শিক্ষণীয় দিক। আমরা কঠোর পরিশ্রম অব্যাহত রাখব এবং আরো বেশি অভিজ্ঞ হয়ে আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেব।’
গানারদের কোচ উনাই এমারি বলেন, ‘আমি আরো চাই, সেটা ফলাফলের ক্ষেত্রে ও নৈপুণ্যে। তবে আমরা অগ্রগতির মধ্যে আছি। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো অবস্থায় আছি। কিন্তু আমাদের আরো বেশি কিছু করে দেখানোর ক্ষমতা আছে। আমাদের অনেক তরুণ খেলোয়াড় আছে যারা আত্মবিশ্বাস পেতে পারে।’
লিভারপুল সমান সাত খেলা শেষে সবকটিতে জিতে ২১ পয়েন্ট পেয়ে সবার ওপরে আছে। পাঁচ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। তৃতীয় স্থানে আছে লেস্টার সিটি (১৪)। ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড ১২ পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে আর্সেনালের চেয়ে পিছিয়ে আছে পাঁচ নম্বরে।
