একটি মোটরসাইকেলের শোরুমে অভিযানের নামে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে খুলনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক এসআই ও তিন এএসআইসহ সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদকেও তাত্ক্ষণিকভাবে (স্ট্যান্ড রিলিজ) বদলি করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার খুলনা জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সাত পুলিশ সদস্য হলেন—জেলা ডিবির এসআই লুত্ফর রহমান, এএসআই কে এম হাসানুজ্জামান, এএসআই শেখ সাইদুর রহমান, এএসআই গাজী সাজ্জাদুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. কামরুজ্জামান বিশ্বাস, জামিউল হাসান ইমন ও জুয়েল শেখ।
জেলা পুলিশ সুপার শফিউল্লাহ জানান, ‘ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর থেকে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এসেছে ডিবি পুলিশের সাত সদস্যের বিরুদ্ধে। এরপর তদন্ত করে দেখা হবে কে জড়িত, কে জড়িত নয়। প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে।’ অভিযোগে জানা গেছে, সম্প্রতি ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজার এলাকার আব্দুল্লাহ মোটরসনামক একটি মোটরসাইকেলের শোরুমে অভিযান চালায় ডিবির ঐ সদস্যরা। সেখান থেকে ঐ শোরুম মালিকের ছেলেকে আটক করে তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু আরো পাঁচ লাখ টাকার দাবিতে হুমকি দিচ্ছিল তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিচুর রহমান জানিয়েছেন, ‘জেলা ডিবির ইন্সপেক্টর তোফায়েল আহমেদকে মেহেরপুরে স্ট্যান্ড রিলিজ (তাত্ক্ষণিক বদলি) করা হয়েছে।’
