রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা তীরের ২৩ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৯, ০০:১২

নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় রূপগঞ্জ উপজেলায় কাঞ্চন সেতুর পূর্বপাড়ে দাউদপুর ইউনিয়নের লক্ষ্যা শিমুলিয়া এলাকায় অভিযান শুরু হয়। বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসএসবি, এনএসটিবি, বিএবি নামের তিনটি ইটভাটার বর্ধিতাংশ, একটি মুরগির খামারের বর্ধিতাংশ, ড্রেজার পাইপ, পাঁচটি দেওয়াল, দুইটি বাঁশের জেটি, পাঁচটি টিনের ঘরসহ ২৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অবৈধভাবে নদীর তীর দখল করে চারটি ইটভাটার সামনে স্তূপ করে রাখা বালু, কয়লা ও মাটি ৪ লাখ ২৪ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়।

অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল, উপপরিচালক মো. শহীদুল্লাহসহ অন্য কর্মকর্তারা। এ সময় একটি জাহাজ, একটি টাগবোট, একটি ভেকুসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ, আনসার সদস্য ও উচ্ছেদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।  শুরুতে নদীর তীর দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ মুরগির খামারের সামনের অংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং নদী ভরাটের কাজে ব্যবহূত তিনটি ড্রেজার পাইপলাইন গুঁড়িয়ে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ব্রিকফিল্ডগুলোতে অভিযান পরিচালিত হয়।

বিআইডব্লিউটিএ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, শীতলক্ষ্যার এই অংশে নতুনভাবে সীমানা নির্ধারণের কাজ চলছে। এখানে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত করা হবে। এর আগে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রূপগঞ্জ উপজেলায় শীতলক্ষ্যার উভয় তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে আসছে নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হাইকোর্টের নির্দেশে সিএস ও আরএস অনুযায়ী শীতলক্ষ্যার উভয় পাশে উচ্ছেদ চলছে। নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা সব ধরনের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল জানান, নদী দখলকারীরা যত প্রভাবশালী হোক না কেন তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না।