জেলা শহরে শরীরচর্চা ও বিনোদন ব্যবস্থা অপ্রতুল

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৩৮

গবেষণার তথ্য প্রকাশ

 

ইত্তেফাক রিপোর্ট

জেলা শহরগুলোতে শরীরচর্চা ও বিনোদনের ব্যবস্থা অপ্রতুল। স্কুলগুলোতে নেই খেলার মাঠ। গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৫ ভাগ জেলা প্রশাসনের অধীনে কোনো মাঠ নেই, ২২টি জেলার মধ্যে ১৫টি (৬৮ ভাগ) জেলায় কোনো পার্ক নেই, যে সাতটি জেলায় পার্ক আছে তার তিনটিরই ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো লোকবল নেই, মাত্র পাঁচটি জেলায় ব্যায়ামাগার আছে, মাত্র দুইটি জেলায় সাঁতারকাটার জন্য পুল ও ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা আছে এবং ২২টি জেলার মাত্র তিনটিতে হাঁটার সব রকমের সুব্যবস্থা আছে, মাত্র দুইটি জেলায় নারী ও শিশুদের জন্য হাঁটা ও কায়িক পরিশ্রমের ব্যবস্থা আছে— ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা ও অবকাঠামো সুবিধা’ সংক্রান্ত গবেষণায় ২২টি জেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে এ চিত্র দেখা যায়।

রাজধানীর কলাবাগানে মঙ্গলবার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) সম্মেলন কক্ষে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। আর্ক ফাউন্ডেশন, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সেন্টার ফর ‘ল’ এন্ড পলিসি এফেয়ার্স সম্মিলিতভাবে এই গবেষণা সম্পন্ন করে। গবেষণায় আরো ওঠে এসেছে, ২৫টি পৌরসভার মধ্যে ২১টির আওতায় কোনো খেলার মাঠ নেই, ১৫টিতে পার্ক আছে, মাত্র দুইটিতে ব্যায়ামাগার আছে এবং চারটি পৌরসভায় সাঁতার কাটার জন্য পুল ও ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা আছে। চারটি সিটি করপোরেশনের তিনটি মাঠের দুইটিই ইজারা দেওয়া হয়, তিনটি পার্ক রয়েছে, একটিতে ব্যায়ামাগার আছে, দুইটিতে সাঁতারকাটার জন্য পুল ও ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা আছে। ১০টি জেলার ৫০১টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক সরকারি স্কুলে মাঠ নেই এবং ১৪টি বেসরকারি স্কুলে মাঠ নেই, কোনো স্কুলেই ব্যায়ামাগার নেই, সাঁতারকাটার জন্য কোনো সুইমিং পুল নেই এবং সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মাত্র চারটি জেলার স্কুলে খেলাধুলার জন্য বাজেট বরাদ্দ আছে।