পূজা-অর্চনা পাওয়ার অপেক্ষায় দেবী

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:০৯

মণ্ডপগুলোতে পূজা-অর্চনা পাওয়ার অপেক্ষায় দেবী। ইতিমধ্যেই প্রতিমা তৈরি ও সাজানোর সকল কাজ শেষ। শেষ সময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। 

রাণীনগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার মোহন্ত বলেন মা এবার ঘটকে চড়ে আসছেন আর ঘটকে চড়ে যাবেন। রাণীনগর উপজেলায় ৫০টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। শেষ সময়ে পূজার উৎসবকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে মণ্ডপগুলোতে চলছে ব্যাপক সাজ সাজ রব। ইতিমধ্যে বেশীর ভাগ মণ্ডপগুলোতে প্রতিমার কাঠামো ও রং করার কাজ শেষ হয়েছে। ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। স্থানীয় শিল্পী ছাড়াও বিভিন্নস্থান থেকে আগত শিল্পীরা এসে প্রতিমা তৈরী ও সাজ সজ্জার কাজ করছেন। প্রতিটি পূজা মণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে দুর্গা, স্বরস্বতী, লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক, অসূর, সিংহ, হাঁস, পেঁচা ও সাপসহ বিভিন্ন প্রতিমা। 

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল হক বলেন, হিন্দু ধর্মের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। উপজেলায় ৫০টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রতিটি পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছি এবং প্রতিটি পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সম্পাদকসহ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। এ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে পালন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/আরকেজি