একটি পেঁপে গাছ। প্রাচীরঘেঁষে ডাঙর হয়েছে ধূসর নগরে। ভাদ্রের বৃষ্টিক্লান্ত দুপুরে দারুণ ধাঁচে দাঁড়ানো পল্লবিত গাছটি। লম্বা বোটার ছত্রাকার পাতা যেন নিপুণ কারুপত্র। আগার অংশে পাতার সর্পিল সাজনে শরতের বৃষ্টি পরিয়ে দেয় নান্দনিক সবুজের টকটকে লিপস্টিক, দূষিত নগরে এ এক কিঞ্চিত কিরণ। পেঁপে পল্লবে ও কুশে পৌরাণিক পেলবতা পায় প্রজাপতি ও খুদে জীব—ওরা গেয়ে ওঠে শরত্-গীত। পেঁপে-পরিধি পরখে দিবানিদ্রা যায় উতলা রন্ধনশিল্পী। পেঁপেমিশ্রিত মাংসে আহার জমাবে আসছে ছুটির দিনে। পেঁপের পেপেইন পাবে প্রাধান্য খাবার টেবিল-টকে । দূরেশাহবাগী পুষ্প আর পরান-পেপেইনের পিয়ানো ।
