বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যতবার ভারত যান, ততবার কেবল দিয়েই আসেন। তিনি ফিরে আসলে দেখি আমাদের যে মূল সমস্যাগুলো রয়েছে—সে সমস্যার সমাধান হয় না। আমাদের সীমান্তে হত্যা সমস্যার সমাধান হয় না, পানি বণ্টন নিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না, বাণিজ্যের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা হয়েছে—সেটার সমাধান হয় না। ফারাক্কা বাঁধ খুলে দেওয়া হয় আমরা বন্যায় ডুবে যাই সেই সমস্যার সমাধান হয় না।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ-বিএসপিপি আয়োজিত পেশাজীবী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কারো অনুকম্পায় মুক্ত হবেন না। তিনি অবশ্যই তার ন্যায্য অধিকার, তার যে জামিন পাওয়ার হক, সেই অধিকারেই তিনি মুক্ত হবেন।
তিনি বলেন, ভারতের এমপি, মন্ত্রী ও নেতারা যখন বলেন আসাম থেকে, ত্রিপুরা থেকে তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে তখন স্বাভাবিকভাবেই আমরা দেশের নাগরিক হিসেবে উদ্বিগ্ন হই। এটা একটা ষড়যন্ত্রের কথা, এটা একটা চক্রান্তের কথা যা দিয়ে বাংলাদেশের ওপর বড়ো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা যেতে পারে।
সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে পেশাজীবী সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলম, প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয়তাবাদী সংস্কৃতি জোটের মহাসচিব এম আমিনুল হক প্রমুখ।
