বর্তমান সময়ে সারাদেশে বিভিন্ন ধরনের সহিংসতাসহ নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গণমানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের পথে নারী ও শিশুর প্রতি বৃদ্ধি পাওয়া সহিংসতার চিত্র কোনোভাবেই কাম্য নয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
‘ঐক্যবদ্ধভাবে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনা প্রতিরোধ করি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে। অবস্থান কর্মসূচি থেকে নারী ও শিশুর প্রতি নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা প্রতিরোধ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে ঐক্যবন্ধভাবে কাজ করার তাগিদ দেন বক্তারা। তারা বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীকে নয়, ধর্ষণকারীকেই প্রমাণ করতে হবে সে ধর্ষণ করেনি।
এছাড়া ধর্ষণকারীদের রাজনৈতিকভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেওয়া, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনার বিচার দ্রুততার সঙ্গে করা, দোষীদের দ্রুত প্রচলিত আইনের আওতায় আনাসহ বেশ কিছু দাবি জানান বক্তারা। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন—সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম, সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম, অর্থ সম্পাদক দিল আফরোজ বেগম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক রেখা সাহা, প্রকাশনা সম্পাদক সারাবান তহুরা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক বুলা ওসমান, সাধারণ সম্পাদক রেহানা ইউনূস, লিগ্যাল অ্যাডভোকেসি ও লবি শাখার পরিচালক মাকছুদা আখতার লাইলী এবং অ্যাডভোকেসি ও লবি শাখার পরিচালক জনা গোস্বামী, লিগ্যাল এইড উপপরিষদের সদস্য রওশন জাহান পারভীনসহ কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা মহানগর কমিটির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ।
