লোকসানে চলনবিলের শুঁটকি ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০১৯, ২১:০৩

ভরা মৌসুমেও মাছের সংকট

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা

মত্স্য ভাণ্ডার খ্যাত চলনবিলে ভরা মৌসুমেও দেশীয় মাছের সংকটে লোকসানে পড়েছেন চলনবিলাঞ্চলের শুঁটকি ব্যবসায়ীরা। মাছের অভাবে তাড়াশ, গুরুদাসপুর ও চাটমোহর উপজেলার বেশিরভাগ শুঁটকির চাতাল এখনো বন্ধই রয়ে গেছে।

শুঁটকি ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন, আব্দুর রহিম, আব্দুল কাদের, হারেচ আলী, শামছুল হক প্রমুখ জানান, স্থানীয়দের পাশাপাশি তাদের অনেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে চলনবিল অঞ্চলে এসে বর্ষা মৌসুমে ব্যবসা করে থাকেন। এ বছরও তারা অন্যের জায়গা ভাড়া নিয়ে শুঁটকির চাতাল করে বসে আছেন মাছের অপেক্ষায়। তবে এখনো পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত মাছের দেখা মিলছে না। এদিকে শুঁটকি শ্রমিক কোরবান আলী, আব্দুস সবুর, রাহেলা, কদভানু, খইমন, আয়শা ও রাকিলা জানান, বর্ষা মৌসুমে শুঁটকির চাতালে কাজ করে স্থানীয় বেশ কিছু সংখ্যক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। বিলের পানিতে মাছের দেখা না পাওয়ায় ঐসব দরিদ্র শ্রেণির মানুষের বেশিরভাগই অলস সময় পার করছেন।

অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তাড়াশ উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, কাঁচা মাছের সংকটে শুঁটকির ব্যবসায়ীরা লোকসান গুনছেন। চলনবিলে দ্বিতীয়বারের মতো পানি আসতে শুরু করেছে। শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ মাছের দেখা পেলে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।