ডিসেম্বর মাস। এদেশের জন্য এক উত্সবের মাস, বিজয়ের মাস। এরই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাই এক আনন্দঘন উত্তেজনা কাজ করছে এখন।
একটি ভোট মানে ব্যালট বক্সে একটি কাগজ ফেলে দেওয়া না। এই ভোটে জড়িত আছে এক-একটি মানুষের চাওয়া পাওয়া, আশা-ভালোবাসা। যোগ্য প্রার্থী মানে ২-৪ জনের মধ্যে একজনকে বাছাই করা কেবল নয়, যোগ্য প্রার্থী মানে কে আমার তথা আমার সমাজের অগ্রযাত্রায় মূল নায়ক হবে, এমন অগ্রপথিককে খুঁজে বের করা। আর এইভাবে একজন করে অগ্রপথিক বের করে মোট ৩০০ জন যোগ্য অগ্রপথিক পারে এদেশকে এক নতুন সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে। সঙ্গে থাকবে ৩২ কোটি হাত। তাই নিশ্চিত করতে হবে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ, সবার ভোটাধিকার। চাই প্রশাসনের সদিচ্ছা।
এইবার ভোটে তরুণ ভোটার বেশি। এদের অনেকেই জাতীয় নির্বাচনে প্রথম ভোট দিতে যাচ্ছে। তাই যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে এদের সুযোগ দিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে দেশের কল্যাণে অবদান রাখার ইচ্ছা পোষণ করবে, যেহেতু তারা ভোটার।
শুধু প্রশাসনের উপর সমস্ত কর্তব্য চাপিয়ে দিলে হবে না। সেইসঙ্গে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে আমাদেরও ইচ্ছা থাকতে হবে। ভোট দিতে হবে সেই দল এবং প্রার্থীকে—যাদের এই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার মতো ক্ষমতা, মনোবল সব আছে। সুষ্ঠু ভোটাধিকার শুধু যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে সহযোগিতা করবে না, বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে নতুন রূপে পরিচয় করিয়ে দেবে।
বিজয়ের মাসে হোক আরো একটি বিজয়, গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিতকরণের। উত্সব মুখর হোক জাতীয় নির্বাচন, অধিকার নিশ্চিত হোক প্রত্যেক নাগরিকের, জয় হোক গণতন্ত্রের।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
