ছায়ানটের শরত্ বন্দনা

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০১৯, ২২:১০

প্রকৃতিতে শরত্ এসেছে অনেক আগেই। আর এখন তো শারদীয় উত্সবের কাঁসর-ঘণ্টা বাজছে। এই আশ্বিনের প্রায় শেষ ভাগে রাজধানীতে উত্সব। গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় ছায়ানট আয়োজন করে শরত্ বন্দনার। স্বাগত কথনে ছায়ানট সম্পাদক লাইসা আহমেদ লিসা বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো ছয় ঋতুর দেশ তো কোথাও পাওয়া যাবে না। আমরা যে প্রকৃতির সন্তান, তা এ ঋতুচক্রের মধ্য দিয়ে বুঝতে পারি। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঋতুচক্রের মতোই আমরা মিলেমিশে আছি। একই সঙ্গে এ উত্সবের মধ্য দিয়ে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভাতৃত্বের চর্চা করি। গানের মধ্য দিয়ে আমরা ঋতুর মতো সবার সঙ্গে মেলবন্ধন তৈরি করি। সেই জায়গা থেকেই প্রীতি ও ভালোবাসার টানে সবার একত্রিত হওয়া।’ অনুষ্ঠানস্থলে এসেছিলেন ছায়ানট সভাপতি সন্জীদা খাতুন।

কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান ‘ওগো শেফালি বনের মনের কামনা’ সম্মেলক কণ্ঠে পরিবেশনা দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এরপর শিল্পী অভয়া দত্ত শোনান, রবীন্দ্রসংগীত ‘আমার রাত পোহাল’। এরপরের পরিবেশনাটিও রবীন্দ্রসংগীত। শিল্পী শ্রাবণী মজুমদার শোনালেন, ‘অমল ধবল পালে লেগেছে’। সুতপা সাহা শোনান, রবীন্দ্রনাথের ‘ওগো কে যায় বাঁশরি’, মোস্তাফিজুর রহমান তূর্য শোনান, ‘আমি চঞ্চল হে’, তানিয়া মান্নান শোনান, ‘এসো শরতের অমল মহিমা’, শ্রেয়া ঘোষ শোনান, ‘সকরুণ বেণু বাজায়ে কে যায়’, আইরিন পারভীন অন্না শোনান, ‘এই তো আমার প্রেম’, শুক্লা পাল সেতু শোনান, ‘যে ছায়ারে ধরব বলে’, অসীম দত্ত শোনান, ‘তোমার সোনার থালায়’, নাঈমা ইসলাম নাজ শোনান, ‘হূদয়ে ছিলে জেগে’, পার্থপ্রতিম রায় শোনান, ‘আমি চিনি গো চিনি’, সেঁজুতি বড়ুয়া শোনান, ‘কেন যে মন ভোলে’।