শফিকুল ইসলাম শফিক
লেখালেখির নেশা থাকলে পত্রিকা কেনাটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। লেখকের পত্রিকা কিনতে কোনো ওজর-আপত্তি থাকে না। লেখক প্রয়োজনে হাজার টাকার নোট ভাঙতি করতেও দ্বিধাবোধ করে না। কিন্তু পত্রিকা কিনলে এক শ্রেণির মানুষের মাথা ধরে। হাত-পা ভীষণ জ্বালা করে! তাদের উদ্দেশে বলছি—
v পত্রিকা কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না। লেখক এ-কথা হাড়ে হাড়ে টের পেলেও এক শ্রেণির মানুষ তা আজও টের পায়নি।
v পত্রিকা লেখকের জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদের মূল্য দিতেই পত্রিকা কেনা জরুরি।
v বক বক করলেই লেখক হয় না। প্রেমিক বক বক করলেই প্রেমিকার কাছে সে বাচাল হয়। তাই তো এমন প্রেমিক বলে, প্রেমিকার কাছে আজও লেখক হতে পারিনি।
v লেখকের উপকারে নাই যার মন
কে বলে পাঠক তারে বোকা সেইজন?
হয়তো দেখা যায়, কাউকে পত্রিকা কিনতে দিলে টাকার সাথে সেও নিখোঁজ হয়ে যায়। অবশেষে পেপারে হারানো বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়।
v নানান লেখক নানান ভাষা
বিনা পাঠকে মেটে কি আশা?
পাঠক ছাড়া যেমন লেখকের মূল্য থাকে না, তেমনি পত্রিকা ছাড়া লেখার মূল্য থাকে না।
v পত্রিকাহীন মানুষ গাধার সমান।
আমরা ফেসবুক থেকে সহজেই জ্ঞান আহরণ করি। কিন্তু পত্রিকা থেকে জ্ঞান আহরণ করতে ভুলে গেছি। এটা আমাদের স্বভাবগত দোষ।
v পত্রিকাই শক্তি।
পত্রিকা লেখকের প্রাণ। পত্রিকা যত্ন করে পড়লে প্রাণের শক্তি সঞ্চার হয়।
v পত্রিকা লেখকের মেরুদণ্ড।
সঙ্গী ছাড়া একটি দিন চলে; কিন্তু পত্রিকা ছাড়া একটি দিনও চলে না।
অবশেষে বলি, পত্রিকা কিনুন, লেখক চিনুন। পত্রিকা পড়ুন, চিন্তা করুন।
কনইল, নওগাঁ
