দেশের সাম্প্রতিক সময়ের কিছু ঘটনার প্রেক্ষিতে এখন এটা বলা মুশকিল যে, কে কখন কোটিপতি হয়ে যাবে। এবার সেসব ইস্যু নিয়ে কিছু ঠাট্টা করছেন সুদিপ্ত কুমার নাগ
তুমি বাসার সব পর্দা খুলে নিয়ে কই যাচ্ছ?
তুমি এত দিন বলেছ যে, আমি নাকি বেশি টাকা আয় করি না। তাই সরকারি অফিসে পর্দা বিক্রি করে দিয়ে কোটিপতি হতে চাই।
যারা ৩৭ লক্ষ টাকা দিয়ে পর্দা বিক্রি করেন, তারা যেকোনো সময় কোটিপতি হয়ে যেতে পারে।
এতদিন চাকরি-বাকরি করে কিছুই করতে পারলাম না।
আগে বুঝলে ক্যাসিনো বানাতাম। তারপর সব টাকাপয়সা সুইস ব্যাংকে পার করে দিয়ে বিদেশে চলে যেতাম।
ক্যাসিনো ব্যবসা করলে রাতারাতি কোটিপতি হওয়া সম্ভব।
তুই হঠাত্ ইন্টারনেট থেকে পিডিএফ প্রিন্ট করে বাইন্ডিং করতেছিস। বিষয়টা কী?
যেসব বিদেশি বই দেশে পাওয়া যায় না, সেসব বই এখন ৫ হাজার টাকার জায়গায় ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। এখন থেকে বিসিএসের পড়া বাদ দিয়ে বইয়ের ব্যবসা করব।
এখন ৫ হাজার টাকার বই ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এরকম দামে বই বিক্রি করতে পারলে কয়েকদিনেই কোটিপতি হওয়া যাবে।
ফার্নিচারের ব্যবসা করে যদি সেসব কোনো মেডিকেল কলেজে বিক্রি করা যায়, তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কোটিপতি হওয়া যাবে।
তুই ভার্সিটিতে পড়াশোনা বাদ দিয়ে হঠাত্ ফার্নিচারের দোকান দিলি কেন?
তাহলে তোর সাথে আমিও এই ব্যবসা শুরু করব।
রংপুর মেডিকেল কলেজ পাঁচটি কাঠের চেয়ার কিনেছে ২ কোটি ৮২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে। এরকম ২০টা চেয়ার বিক্রি করতে পারলে আমার আর ভার্সিটিতে পড়া লাগবে না, বরং নিজেই একটা ভার্সিটি বানায় ফেলতে পারব।
যেসব স্যার আমাকে সারদিন প্যারা দিত, ভার্সিটি বানানোর পর তাদের নিয়োগ দিয়ে আমি বরং উল্টো ওইসব স্যারদের প্যারা দিব।
