কমিটির কোষাধ্যক্ষ যে আয়-ব্যয়ের হিসেব দিয়েছেন তা আমার কাছে পরিষ্কার না। ২ বছরে অনুদান হিসেবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতি সংগ্রহ করেছে ৫৮ লাখ টাকার বেশি। শিল্পীদের জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০০ টাকা। এই সহযোগিতার খরচ কী আরো বাড়ানো যেত না? আর পিকনিক বা ইফতারের অনুষ্ঠানে যে টাকা খরচ দেখানো হয়েছে তা স্বচ্ছ না। আমার কথা হচ্ছে, এই টাকা তো শিল্পীদের সহযোগিতার জন্য দাতারা অনুদান দিয়েছেন। কারো ব্যক্তিগত ফান্ডে না। পিকনিকে ১৫ লাখ টাকার মতো খরচ দেখানো হয়েছে। এত টাকা খরচ না করে তো শিল্পী সহযোগিতা করা যেত। আগের ৬২৪ জন ভোটার থেকে এবার কমিয়ে ৪৪৯ জন করা হয়েছে। বাদ পড়া শিল্পীদের সহযোগী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। সহযোগীদের ভোটাধিকার নেই। অনেক নতুন শিল্পীকে ভোটার করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে তালিকায় কিছু ব্যক্তির নাম রাখা হয়েছে, আবার একই নিয়মে অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। কমিটির কয়েকজন সদস্য প্রভাব খাটিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছেন। এসব অনিয়মের ব্যাপারে সভায় কথা বলতে চেয়েছিলাম। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ছাড়া যদি অন্য কেউ কথা না বলতে পারেন তাহলে সহ-সভাপতি বা বাকি আসনগুলোর কী দরকার?
বাংলাদেশ চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগে
চিত্রনায়ক ও শিল্পী সমিতির বর্তমান সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক রিয়াজ
