বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ছোটোখাটো দুই-একটা টোকাই ধরে কিছু সময়ের জন্য চমক সৃষ্টি করা গেলেও প্রকৃত অর্থে দুর্নীতি দমন করা যাবে না। আমরা মনে করি এই জনসমর্থনহীন সরকার, ভোটারবিহীন সরকার অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি ও ব্যাংকিং খাত নিঃস্ব করার মধ্য দিয়ে দেশকে একটি দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করছে। পরিস্থিতি থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর জন্য ছোটোখাটো খুচরা নাটক করছে।
গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জিয়া শিশু-কিশোর মেলা আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর শিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ছড়াকার আবু সালেহ, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
গয়েশ্বর বলেন, ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার হিসাব অনুযায়ী দেশে ৭৬ হাজার কোটিপতি রয়েছে। পাঁচ বছর আগে ছিল ১৯ হাজার। আর যে পরিমাণে টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে সেই হিসেব করলে দেশে কোটিপতির সংখ্যা কত হবে তার ঠিক নেই। কোটিপতিদের নাম-ধাম প্রকাশ করা হলে দেখা যাবে সবাই আওয়ামী লীগ করেন। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ নিঃস্ব হয়ে গেছে। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী—এই উপাধি খারিজ করতে গিয়ে ধরা খেয়েছে সরকার। বেগম খালেদা জিয়া কোনো ধরনের আপস, সরকারের সঙ্গে সমঝোতা বা প্যারোলে মুক্তি নেবেন না। দায়িত্ববোধ থাকার কারণে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন আমরা করছি, ভবিষ্যতেও করব। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি লাভ করবেন। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু জেলখানায় হলে তার দায় বহন করার ক্ষমতা আওয়ামী লীগ সরকারের নেই।
